এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > আরও তীক্ষ্ণ হচ্ছে করোনার মারণ কামড়! চিন্তা বাড়িয়ে রাজ্যে আরও বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা!

আরও তীক্ষ্ণ হচ্ছে করোনার মারণ কামড়! চিন্তা বাড়িয়ে রাজ্যে আরও বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা!

শনিবার 315, রবিবার 396, সোমবার 467- একের পর এক লাফ মেরে নভেল করোনা ভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গেল মাত্র তিন দিনের মাথায়। জানা যাচ্ছে, প্রথম থেকে শুধুমাত্র বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিরাই আক্রান্ত হচ্ছিলেন। কিন্তু এখন তাঁদের পরিজন, এমনকি পরিচিতদের শরীরেও ভাইরাসের উপস্থিতি মিলতে শুরু করেছে। তার জেরেই লাফিয়ে লাফিয়ে চড়ছে করোনার গ্রাফ। অন্যদিকে, রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যাও বেড়ে এদিন হল নয়। যে দুজনের শরীরে করোনার জীবাণু পাওয়া গেছে, তাঁদের একজন সদ্যই লন্ডন থেকে ফিরেছেন বলে খবর।

দুজনেই ইতিমধ্যে বেলেঘাটা আইডিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, শেষ দুজন সংক্রমিত ব্যক্তির সম্পর্কে এখনো পর্যন্ত সঠিক তথ্য দেয়নি স্বাস্থ্য দপ্তর। তাই অনুমান, নতুন করে আবারও এই দুই করোনা আক্রান্তের শারীরিক নমুনা পরীক্ষা হতে পারে। কলকাতায় এই প্রথম করোনা আক্রান্তদের মধ্যে একজন মারা গেলেন। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ইতিমধ্যে করোনার সংক্রমণ প্রবলবেগে ছড়িয়ে পড়ছে। এখনো পর্যন্ত যাঁরা বেলেঘাটা আইডিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে হাবরার আক্রান্ত তরুণীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, সোমবার বিকেল থেকে তাঁর শ্বাসকষ্ট সংক্রান্ত সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি আক্রান্তদের বাড়ির লোকেদের অতি সতর্ক থাকার আবেদন জানানো হয়েছে। রবিবার করোনা সংক্রমণ রুখতে দেশব্যাপী একদিনব্যাপী জনতা কার্ফু পালন করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে।অনেকেই বলছিলেন, এই জনতা কার্ফু আগামীদিনের লক ডাউনের পরিস্হিতির সূত্রপাত। সেকথা সত‍্যি করে দেশের বেশিরভাগ রাজ্যে করোনার সংক্রমণ আটকাতে চলছে লকডাউন পরিস্থিতি।

যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দাবি, এভাবে লকডাউন করলে করোনা সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসলেও পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হবে না। যত সময় যাচ্ছে, ততই নভেল করোনা ভাইরাসের প্রকোপ ভারতবর্ষে আরও বেশি করে ধরা পড়ছে। এরইমধ্যে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে জোরদার লড়াই শুরু করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। তবে বলা যাচ্ছে, করোনা ভাইরাসের ভয় রাজনৈতিক মতপার্থক্যকে দূরে সরিয়ে দিয়ে সবাইকে একজোট করতে সমর্থ হয়েছে। এখন দেখার একজোট হয়ে সবাই করোনার বিরুদ্ধে কবে জয় লাভ করে! সারা দেশবাসী এই মুহূর্তে একটাই প্রার্থনা করে চলেছে, ‘গো করোনা গো’।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!