এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটে নামলেন ২০ হাজার সরকারি কর্মী! ঘুম উড়তে চলেছে সরকারের?

অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটে নামলেন ২০ হাজার সরকারি কর্মী! ঘুম উড়তে চলেছে সরকারের?

বেহাল অর্থনীতির প্রাক্কালে এসে দেশের সমস্ত পরিষেবা রীতিমতো ধাক্কা খাচ্ছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন হাজার চেষ্টা করেও এই অর্থনীতির কালো মেঘ কিছুতেই সরাতে পারছেন না। অর্থনৈতিক মন্দা সামলাতে কেন্দ্রীয় বেশকিছু সংস্থা বেসরকারি হাতে যেতে চলেছে। অর্থনৈতিক মন্দার কারণে ছোট-বড়-মাঝারি কোম্পানীগুলি নিয়মিত ক্ষতির মুখ দেখছে। প্রতিটি কোম্পানি থেকেই চলছে ছাঁটাই প্রক্রিয়া। ঠিক এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় সরকারকে আবারও একটি অস্বস্তির সামনাসামনি হতে হল। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হ‍্যাল তাদের মজুরি পুনর্বিবেচনা নিয়ে ধর্মঘটে নেমেছে।

ইতিমধ্যেই ভারতীয় রেল ও স্টেশন নিয়ে বেসরকারিকরণের কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। অর্থনৈতিক মন্দার কারণে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি একদমই তলানীতে। বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় ঠিকঠাক বেতন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলটরা গণ ইস্তফা দিয়েছেন। আর এবার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনেটিকাল লিমিটেড অর্থাৎ হ‍্যালের কুড়ি হাজার কর্মী মজুরি পুনর্বিবেচনার জন্য সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটে নেমেছেন।

ইতিমধ্যে প্রশ্নের মুখে পড়েছে প্রধানমন্ত্রীর স্লোগান, সবকা সাথ সবকা বিকাশ। হ্যালের নটি ট্রেড ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এস চন্দ্রশেখর জানান, কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তিনি সবরকম আলোচনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মূলত হ‍্যালের কর্মীগোষ্ঠীর মূল বক্তব্য, মজুরি সংশোধন। মজুরি সংশোধন নিয়ে বহু চেষ্টার পরেও তা ব্যর্থ হওয়ায় আগামী গত 30 সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় সরকারকে দেওয়া নোটিশ অনুযায়ী এবার অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট নেমেছে হ‍্যাল।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

হেল যদিও দাবি করেছে এই ধর্মঘট এড়ানোর জন্য হ‍্যাল কর্তৃপক্ষ সবরকম চেষ্টা করেছে। উল্লেখ্য, বেঙ্গালুরুতে হ্যালের কর্মচারীরা গত পয়লা জানুয়ারি 2017 থেকে তাদের বেতন কাঠামো পুনর্বিবেচনা এবং পুনঃ প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দাবি জানিয়ে আসছে। কর্তৃপক্ষ দাবি না মানায় সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট এ গেছে হ‍্যালের কর্মীরা। এই ধর্মঘটের নোটিশ সমস্ত জায়গায় অর্থাৎ প্রতিরক্ষা পিএসইউ এর সমস্ত জায়গায় দেওয়া হয়েছিল।

সূত্রের খবর, অফিসারদের ভাতা ক্যাফেটেরিয়া সিস্টেমে বৃদ্ধি পেয়েছে 35 শতাংশ, অন্যদিকে কর্মীদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধি হয়েছে তা মাত্র 22 শতাংশ। আন্দোলনকারী শ্রমিকদের দাবি, কর্মীও অফিসারদের সমান সমান 35 শতাংশ বৃদ্ধির। অন্যদিকে, ফিটমেন্ট বেনিফিট এর ক্ষেত্রেও অফিসারদের বৃদ্ধি হয়েছে 15 শতাংশ। যেখানে কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি হয়েছে 11 শতাংশ। সমস্ত ক্ষেত্রে চরম বেতন বৈষম্য করা হয়েছে বলে দলের শ্রমিক ইউনিয়ন থেকে অভিযোগ উঠেছে।

এখনো পর্যন্ত এই ধর্মঘটের ফলে বেতন কাঠামো সংক্রান্ত পুনর্বিবেচনার কথা স্বীকার করেননি হ্যাল। অন্যদিকে শ্রমিকদের দাবি যতদিন না বেতনকাঠামো পুনর্বিবেচনা করা হবে ততদিন এই ধর্মঘট চলবে। বেতন কাঠামোর বৈষম্য কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না। ধর্মঘটের প্রসঙ্গে আপাতত কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। সমস্ত ঘটনার দিকেই নজর রাখছে অর্থনৈতিক মহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!