এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > হাইকোর্টে ডিএ মামলা – আমজাদ আলির সওয়ালের দিকে তাকিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা

হাইকোর্টে ডিএ মামলা – আমজাদ আলির সওয়ালের দিকে তাকিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা

রাজ্য সরকারের দেওয়া ডিএ কি আদতে দয়ার দান নাকি তা রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অধিকারের মধ্যে পরে – এই প্রশ্নের উত্তর দিতে আজ কলকাতা হাইকোর্টে সম্ভবত ডিএ মামলার শেষ শুনানিতে সওয়াল করবেন আইনজীবী সর্দার আমজাদ আলি। দীর্ঘ টালবাহানার পর, আজই কলকাতা হাইকোর্টে ডিএ মামলার শেষ শুনানি হয়ে যেতে পারে – আর সেদিকেই এখন ছাতক পাখির মত তাকিয়ে আছেন রাজ্যের অগণিত সরকারি কর্মচারী।

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

বকেয়া ডিএ ও কেন্দ্রীয়হারে বেতন না পাওয়ায় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ শেষপর্যন্ত সুরাহা পেতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত বারবার দাবি করে এসেছেন ডিএ আসলে রাজ্য সরকারের দয়ার দান, এর উপর রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের কোনো দাবি থাকতে পারে না। সুতরাং রাজ্য সরকার যেটা ভালো বুঝবেন সেই মত ডিএ দেবেন। তাঁর সওয়াল শেষ হয় গত ১০ ই জুলাই।

যদিও তিনি আরো সওয়ালের জন্য আদালতের কাছে অনুরোধ করেন। জবাবে অবশ্য বিচারপতিদের স্মিতহাস্য ছাড়া আর কিছু পান না। আর তাই সওয়াল শেষ হয়ে যাওয়ার পর গত ১৭ ই জুলাই মামলাকারীদের পক্ষে দুই আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য ও সর্দার আমজাদ আলির সওয়াল করার কথা ছিল। সেখানে বিকাশবাবু যুক্তি সহকারে আদালতকে জানান, রাজ্য সরকারের ‘সাবমিসন’ এককথায় ‘ডেঞ্জারাস সাবমিসন’, কেননা সংবিধানের ৩০৯ ধারা অনুযায়ী রাজ্য সরকারই ডিএকে একদিন সরকারি কর্মচারীদের অধিকারের মান্যতা দিয়েছিল।

কিন্তু এরপরে সময়াভাবে সেদিন আর সওয়াল করতে পারেননি মামলাকরীদের অপর আইনজীবী সর্দার আমজাদ আলি। ফলে তাঁর বক্তব্য শোনার জন্য আদালত আজকের দিন ঠিক করে। আজ যদি না নতুন কোনো আইনি রাস্তা বেরিয়ে আসে তবে সম্ভবত আজই ডিএ মামলার শেষ শুনানি হয়ে যেতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা আজ শুনানি শেষ হয়ে গেলেও, আজই এই মামলার রায়দান কঠিন। সেক্ষত্রে আগামী সপ্তাহে কোন একসময়ে এই মামলার রায়দান হতে পারে।

অন্যদিকে অন্যতম মামলাকারী ও সরকারি কর্মচারী সংগঠন কনফেডারেশনের অন্যতম শীর্ষনেতা সুবীর সাহা এই মামলা নিয়ে অসম্ভব রকমের আশাবাদী। তাঁর মতে, মামলার রায় দেবেন মাননীয় বিচারপতিরা, সুতরাং তিনি কি রায় দিতে পারেন সেই নিয়ে কোনো মন্তব্য করব না। তবে যে কোন মামলার ক্ষেত্রে ‘অবজারভেশন পার্টটা’ খুব গুরুত্ত্বপূর্ন। আর এই মামলায় এখনো পর্যন্ত কোনো ‘অবজারভেশন’ কিন্তু সরকারি কর্মচারীদের বিপক্ষে যায় নি, বরং বলতে পারি রাজ্য সরকারই বারবার কোনঠাসা হয়েছে। সুতরাং সবমিলিয়ে আদালত সরকারি কর্মচারীদের পক্ষে মানবিক রায় দেবেন বলেই আশা করা যায়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!