এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > অমিত শাহের বিরুদ্ধে এফআইআর খারিজ মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে নয়া মোড়

অমিত শাহের বিরুদ্ধে এফআইআর খারিজ মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে নয়া মোড়


লোকসভা নির্বাচনের দামামা বাজার বহু আগে থেকেই রাজ্যে বিরোধীদলের কোনো হেভিওয়েট নেতা সভা করতে গেলেই তাতে বাধাদানের অভিযোগ উঠত রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আর এবার গত 29 শে জানুয়ারি কাঁথিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহর জনসভায় যেভাবে তীব্র বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল সেই পরিপ্রেক্ষিতে সেই অমিত শাহের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে প্ররোচনায় এবং উস্কানিমূলক মন্তব্য করা এবং গন্ডগোল পাকানোর অভিযোগে এফআইআর দায়েরের ঘটনায় এবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে সেই অমিত শাহ অস্বস্তিতে পড়েন কিনা সেদিকে যখন নজর ছিল গোটা রাজনৈতিক মহলের, ঠিক তখনই এই ব্যাপারে এফআইআর থেকে অব্যাহতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, এই ব্যাপারে বুধবার পুলিশের কাছে একটি কেস ডায়েরি চাওয়া হয় আদালতের তরফে। জানা যায়, এদিন কলকাতা হাইকোর্টে মামলার শুনানিতে মামলাকারীর আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি এবং ব্রজেশ ঝা বলেন, “অমিত শাহর বিরুদ্ধে পুলিশ যে মামলা করেছে তা অত্যন্ত ভিত্তিহীন। আসলে রাজ্য চায় না তিনি বাংলায় ভোট প্রচারে আসুক। তাই তাকে এই ভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তাই অমিত শাহর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর অবিলম্বে খারিজ করা হোক।”

অন্যদিকে এফাআইআর খারিজের আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করে রাজ্যের তরফে পাবলিক প্রসিকিউটর শাশ্বতগোপাল মুখোপাধ্যায় বলেন, “ঘটনায় একজন প্রত্যক্ষদর্শী অতনু গিরির বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনায় অনেকে আহত হয়েছেন। তারাও এই ব্যাপারে অভিযোগ করেছেন।” আর রাজ্যের আইনজীবীর এহেন কথা শুনেই হাইকোর্টের বিচারপতির প্রশ্ন, “অমিত শাহ তো নিজে আগুন জ্বালিয়ে দেননি, তাহলে তার বিরুদ্ধে এই ধারা প্রয়োগ করা হলো কেন?”

অন্যদিকে এর পাল্টা অমিত শাহের বক্তব্যে উস্কানিমূলক কথা ছিল বলে জানান রাজ্যের আইনজীবী। আর সমস্ত পক্ষের কথা শুনে সবশেষে আগামী চার সপ্তাহের জন্য এই মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। জানা গেছে, দু সপ্তাহ পর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!