এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > অমিত শাহের মেয়ো রোডের সভা নিয়ে বিস্ফোরক অধীর চৌধুরী, বাড়ছে জল্পনা

অমিত শাহের মেয়ো রোডের সভা নিয়ে বিস্ফোরক অধীর চৌধুরী, বাড়ছে জল্পনা

বঙ্গ-রাজনীতিতে এই মুহূর্তে অন্যতম আলোচ্য বিষয় হল প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বিজেপিতে যোগদান করবেন কিনা। যদিও এই প্রসঙ্গে তিনি নিজে প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন যে তাঁর বিজেপিতে যোগদানের কোনো সম্ভাবনাই নেই। কিন্তু রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত একের পর এক কংগ্রেস নেতা গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাচ্ছেন, তাহলে কি তিনিই কি বিজেপিতে যোগদানের আগে নিজের অনুগামীদের গেরুয়া শিবিরে পাঠিয়ে নিজের রাস্তা প্রশস্ত করছেন?

এই জল্পনা আরো গতি পায়, যখন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী তথা রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতা শুভেন্দু অধিকারী বারবার প্রকাশ্যে বলতে থাকেন যে অধীরবাবুর ‘শেষ গন্তব্য’ হতে চলেছে গেরুয়া শিবিরই। শুভেন্দুবাবুর এহেন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অধীরবাবু কিন্তু নীরবই ছিলেন। অন্যদিকে তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বিজেপিতে যোগ দিয়েই তাঁর ‘প্রাক্তন রাজনৈতিক গুরুকে’ বিজেপিতে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছিলেন।

এমত অবস্থায় বঙ্গের রাজনৈতিক মহলের অনেকের ধারণা, লোকসভা নির্বাচনের আগে ‘বড় সিদ্ধান্ত’ নিতে পারেন অধীরবাবু। কিন্তু গতকাল কলকাতার মেয়ো রোডে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের সমাবেশ প্রসঙ্গে রীতিমত বিস্ফোরক মন্তব্য করে আপাতত সেইসব জল্পনায় জল ঢাললেন অধীরবাবু বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে।

গতকালের অমিত শাহের সভা প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, বাজার গরম করতে চাইছে বিজেপি, প্রথমে কেন্দ্র বলেছিল দেশে কমপক্ষে চার কোটি অবৈধ শরণার্থী আছে – অথচ খসড়া তালিকায় স্থান হয়েছে মাত্র ৪০ লক্ষের। একদিকে অবৈধ বলা হচ্ছে, আরেকদিকে তাঁদের ভোটাধিকারও রেখে দিচ্ছে কেন্দ্র।

এখানেই না থেমে তাঁর আরো প্রশ্ন, ভোটাধিকার থাকলে কেউ অবৈধ হয় কীভাবে? এই ৪০ লক্ষ অবৈধ শরণার্থীরা যদি বাংলাদেশ থেকে আসেন, তাহলে এনআরসি-র পরে তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো উচিত। কিন্তু ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনও অবৈধ শরণার্থী ফেরত চুক্তি নেই। তাই বাংলাদেশও ওই ৪০ লক্ষ মানুষকে ফেরত নিতে বাধ্য নয়।

কেন্দ্র সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমন করে এরপর তিনি বলেন, যদি কেন্দ্র সত্যি সত্যিই দেশকে অবৈধ শরণার্থীমুক্ত করতে চাইত, তাহলে আগে বাংলাদেশের সঙ্গে অবৈধ শরণার্থী ফেরত চুক্তি সম্পন্ন করত। লোকসভা ভোটের আগে বাজার গরম করতেই এই খসড়া নাগরিকপঞ্জী তৈরি করেছ কেন্দ্র। কারণ সুপ্রিম কোর্ট আগেই বলেছে এটা চূড়ান্ত তালিকা নয়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!