এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > রাজ্যের অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানো ও কর্মসংস্থান নিয়ে চুলচেরা হিসেবে দিলেন অর্থমন্ত্রী

রাজ্যের অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানো ও কর্মসংস্থান নিয়ে চুলচেরা হিসেবে দিলেন অর্থমন্ত্রী

রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর যখন মুখ্যমন্ত্রী একের পর এক বিদেশ সফরে ছুটে গেছেন রাজ্যের জন্য শিল্প আনতে, যখন নিয়ম করে করেছেন ‘বেঙ্গল বিজনেস সামিট’, তখন বিরোধীরা তীব্র কটাক্ষে ভরিয়ে দিয়েছেন তাঁর সরকারের এই ঐকান্তিক প্রচেষ্টাকে। উল্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে শিল্পের দিক থেকে প্রায় ‘ব্যর্থ’ তকমা দিয়েছেন তাঁরা। বিরোধীদের বক্তব্য, রাজ্যের অর্থনৈতিক পরিকাঠামো যেখানে বৃহৎ ও মাঝারি শিল্পের ওপর নির্ভরশীল সেখান রাজ্যে সরকারের বৃহত্তর ক্ষেত্রে কোনো সহযোগিতা বা ভূমিকা চোখে পড়ে না। এমনকি বৃহৎ ও মাঝারি শিল্পগুলির ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের উদাসীনতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। কিন্তু ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট অর্গানাইজেশন আয়োজিত এক সম্মেলনে রাজ্যের শিল্প তথা অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র যে তথ্য তুলে ধরলেন তাতে আশায় বুক বাঁধতেই পারেন রাজ্যবাসী। যদিও অমিতবাবুর দেওয়া তথ্য নিয়ে যথারীতি প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন বিরোধীরা। অমিতবাবু ওই সম্মেলন থেকে জানান –

১. অর্থনৈতিক উন্নয়নের নিরিখে বাংলা খুব দ্রুত উন্নতি করছে
২. ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে বাংলার অর্থনৈতিক টার্নওভার হয়েছে ৫৩,৬৪৯ কোটি টাকা যা ২০১৫-১৬ সালে ছিল ৪৭,৮৫৭ কোটি টাকা
৩. অর্থাৎ এরাজ্যের অর্থনীতি ১০.৪৯% হারে উন্নতি করেছে
৪. এইভাবে চলতে পারলে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের শেষে এই হার ৪০% হয়ে যাবে
৫. ততদিনে বাংলার রপ্তানির পরিমাণ ৭৫ হাজার কোটি থেকে ৮০ হাজার কোটি কোটি টাকা ছুয়ে যাবে
৬. ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে কর্মসংস্থান বেড়েছে উল্লেখযোগ্য ভাবে
৭. শুধুমাত্র বস্ত্রশিল্পে ১ লক্ষ ৪০ হাজার জনের কর্মসংস্থান হয়েছে
৮. জেমস ও জুয়েলারির ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান হয়েছে ১ লক্ষ
৯. ঢালাই শিল্পে ৩০ হাজার কর্মসংস্থান হয়েছে
১০. ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সমস্ত শিল্পগুলিতে মোট কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ১৭ লক্ষ ৭০ হাজার জনের

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!