এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > মোট ঋণের পরিমাণ কত সেটা বড় ব্যাপার নয়, জিডিপি বৃদ্ধির হারে রাজ্য প্রথম – জানালেন অমিত মিত্র

মোট ঋণের পরিমাণ কত সেটা বড় ব্যাপার নয়, জিডিপি বৃদ্ধির হারে রাজ্য প্রথম – জানালেন অমিত মিত্র

রাজ্যের বিরোধীদের প্রায়শই অভিযোগ করতে দেখা যায় যে, বর্তমান তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে ঋণের পরিমাণ অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু এবার বিরোধীদের সেই সমস্ত অভিযোগ খন্ডন করে মঙ্গলবার বিধানসভায় আগামী অর্থবছরের প্রথম চার মাসের ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব পাস করলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। সূত্রের খবর, এদিন বিধানসভায় জবাবি ভাষণে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী বলেন, “মোট ঋণের পরিমাণ ঠিক কত তা বড় ব্যাপার নয়। জিডিপি বা মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের তুলনায় ঋণের হার কত সেটাই সব জায়গায় দেখা হয়। এই রাজ্যে সেই হার অনেকটাই কমেছে”।

বিধানসভায় অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দেখা গেছে যে, সেন্ট্রাল স্ট্যাটিসটিক্যাল অর্গানাইজেশনের পরিসংখ্যানের দেশের সমস্ত রাজ্যের মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধির হারে সব থেকে এগিয়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। আর এই তথ্যকে তুলে ধরেই বিগত বাম আমলের পরিসংখ্যানকে টেনে নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন যে, বাম সরকারের সময় এই হার ৪০.৬৭% থাকলেও ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে তা কমে ৩৩.৯০%-এ দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে বাজেটের পুস্তিকার পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রাজ্য বাজার থেকে ৪৭ হাজার ৮৫৪ কোটি টাকা ঋণ নিলেও গতবার রাজ্য বাজেট পেশের সময় সরকার ৪৩ হাজার ৯৪৮ কোটি টাকা ঋণ বাজার থেকে নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছিল।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে ২০১৯-২০ আর্থিক বর্ষে বাজার থেকে ৫৩ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার কথা জানানো হলেও অর্থমন্ত্রী দাবি করেন, জিডিপি বৃদ্ধির হার বেশি হওয়ার কারণেই ঋণের পরিমাণ বেড়েছে। তবে রাজ্যের সামগ্রিক আর্থিক অবস্থার অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্য বাজেট পেশের সময় উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির কথাও ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, ২০১৮-১৯ আর্থিক বছরে উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ৮০ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা হলেও ২০১৯-২০ তে তা বাড়িয়ে ৮৯ হাজার ৩০০ কোটি টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে, সামাজিক উন্নয়ন খাতে ৩৮ হাজার কোটি টাকা থেকে ৪০ হাজার কোটি, রাস্তাঘাট ও সেতু নির্মাণে ৭ হাজার ৭৬০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৮ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা করার ঘোষণা করেছেন অমিত মিত্র।

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে তৈরি কৃষকদের জন্য কৃষকবন্ধু প্রকল্পে চলতি আর্থিক বছরে ৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলেও জানান রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। এদিকে সরকারি ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাবের উপর আলোচনায় সরকারের দাবিতে অনেক তথ্য বিকৃত করা হয়েছে বলে জানান সিপিএমের অশোক ভট্টাচার্য। অন্যদিকে টেট পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তোলেন কংগ্রেসের নেপাল মাহাতো। সব মিলিয়ে বিরোধীদের শত অভিযোগকে নস্যাৎ করে দিয়ে ঋণের পরিমাণ যাই হোক না কেন, জিডিপি বৃদ্ধির দিক থেকে রাজ্য যে প্রথম তা উল্লেখ করেই জবাবি ভাষণে তুলে ধরলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!