এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > আমফান তান্ডবের মাঝে বড়সড় প্রশাসনিক পরিবর্তন কলকাতা পুরসভায়, জেনে নিন

আমফান তান্ডবের মাঝে বড়সড় প্রশাসনিক পরিবর্তন কলকাতা পুরসভায়, জেনে নিন


আমফানের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত রাজ্য। বিপর্যস্ত শহর কলকাতাও । জলহীন, বিদ্যুৎহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। যার জেরে বাড়ছে জনরোষ। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ ময়দানে নামলেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে শহরবাসীর কাছে ৭ দিন সময় চেয়ে নিলেন তিনি। একসপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার প্রতিশ্রুতি।

ইতিমধ্যেই আর এক খবর সামনে এসেছে আর তা হলো পদ গেলো এক হেভিওয়েটের। জানা যাচ্ছে এদিন সরলেন পুরো কমিশনার খলিল আহমেদ। জানা যাচ্ছে, খলিল আহমেদের কাজকর্ম নিয়ে কিছু মহলে ক্ষোভ ছিল। মুখ্যমন্ত্রীও বিষয়টি খলিলকে বলেন কিন্তু সমস্যা মেটেনি। এদিন তাঁকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হল ফিরহাদ হাকিমেরই নগরোন্নয়ন দফতরের প্রধান সচিব পদে, তাঁর স্থলাভিষিক্ত হলেন বিনোদ কুমার। আর এই নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এদিকে দু্র্যোগের ৪৮ ঘণ্টা পরও এখনও কলকাতার বেশ কিছু এলাকা জলমগ্ন। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষোভ বাড়ছে শহরবাসীর। আর এই পরিস্থিতিতেই এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ সাহেব। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আমার কাছে জাদুদণ্ড নেই। যে আমি ম্যাজিক করে সব ঠিক করে দেব। কেউই পারবে না। আয়লার পর ওড়িশা দেড় মাস সময় নিয়েছিল স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে। একটু সময় তো দিতেই হবে। অনন্ত সাতদিন লাগবে কলকাতাকে স্বাভাবিক করতে। ফের সচল করতে হলে এই সময়টুকু দিতেই হবে।

প্রসঙ্গত, আজ কলকাতা পুরসভায় সিইএসসি কর্তৃপক্ষ, দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের বৈঠক হয়। কলকাতার যে সমস্ত এলাকা বিদ্যুৎহীন সেখানে দ্রুত যাতে পরিষেবা স্বাভাবিক করা হয় তার জন্য সিইএসসি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি জানিয়েছেন, এত বড় বিপর্যয় হবে কে ভেবেছিল। কেউই প্রস্তুত ছিল না। কিন্তু এখন ঝগড়া করার সময় নয়। কলকাতা পুরসভার প্রশাসক স্পষ্ট করে দেন সমন্বয়ের মাধ্যমেই কলকাতাকে আবার নিজের জায়গায় ফেরানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাবেন তিনি।

ফিরহাদ সাহেব আরও জানান, আমিও সিইএসসিকে বলেছি, পারস্পরিক দোষারোপ করার সময় নয়। গাছ কাটা নিয়ে দুই কর্তৃপক্ষই মিলে কাজ করতে হবে। সিইএসসি কলকাতা পুরসভার অধীনে নয়। তাই আমরা আজ সমন্বয় বৈঠক করে সবকিছু ঠিক করার চেষ্টা করছি। স্বাভাবিকভাবেই স্মরণকালের মধ্যে সবথেকে বড় বিপর্যয় নেমে এসেছে আমফানের দাপটে। তার উপর করোনা সংক্রমণের ভয় তো রয়েছেই। কিন্তু এত সব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও – কলকাতাকে আবারো তিলোত্তমা করে গড়ে তুলতে বদ্ধ পরিকর ফিরহাদ হাকিম।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!