এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > পার্শ্বশিক্ষকদের আন্দোলন স্তব্ধ করতে রাতের অন্ধকারে পুলিশি অত্যাচার ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ

পার্শ্বশিক্ষকদের আন্দোলন স্তব্ধ করতে রাতের অন্ধকারে পুলিশি অত্যাচার ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ

গতকাল থেকেই রাজ্য রাজনীতি পার্শ্বশিক্ষকদের আন্দোলন ও সেই আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে ব্যাপক পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগে সরগরম। বেতন বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে গতকাল প্রায় ৩০ হাজারেরও বেশি পার্শ্বশিক্ষক বিকাশ ভবন অভিযানে নেমেছিলেন। আগাম পুলিশি অনুমতি থাকলেও কোনো ‘অজ্ঞাত’ কারণে তা শেষমুহূর্তে বাতিল করে দেওয়া হয় বলে আন্দোলনকারীদের তরফে দাবি ওঠে।

কিন্তু তাতেও হতোদ্যম না হয়ে রাজ্যের হাজার হাজার পার্শ্বশিক্ষক নিজেদের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যান। এরপর আন্দোলনকারীদের তরফে দাবি ওঠে, রাতের অন্ধকার ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ‘সুযোগ’ নিয়ে গতকাল রাত্রেই পুলিশ আন্দোলনকারীদের উপর বিনা প্ররোচনায় বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। পুলিশের এই অতর্কিত আক্রমনের সামনে কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা। পুলিশের নির্বিচারে লাঠিচার্জের পরিপ্রেক্ষিতে কার্যত ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন আন্দোলনকারী শিক্ষকরা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এরপর, আজ সকাল থেকে নদীয়ার কল্যাণীতে আন্দোলনে বসেন পার্শ্বশিক্ষকরা। পরবর্তীকালে, তাঁরা দাবি আদায়ের জন্য অনশন শুরু করেন। কিন্তু, আন্দোলনকারী পার্শ্বশিক্ষকদের অভিযোগ, সারাদিন পুলিশ কিছু না বললেও, সন্ধে নামতেই হঠাৎ করে এল নিভিয়ে শুরু হয় সুতীব্র পুলিশি অত্যাচার। আন্দোলনকারীরা হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে সেই সময় জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে আন্দোলন চালাচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে পুলিশ এসে সেই জাতীয় পতাকা মাটিতে ফেলে, পায়ে মাড়িয়ে বেধড়ক লাঠিচার্জ শুরু করে।

আন্দোলনকারীরা আরও অভিযোগ জানিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে প্রচুর শিক্ষিকাও ছিলেন। কিন্তু, লাঠিচার্জ করে আন্দোলন ভাঙতে আসা পুলিশ বাহিনীতে কোনো মহিলা পুলিশ কর্মীই ছিলেন না। পুরুষ পুলিশ কর্মীরা লাঠিচার্জের পাশাপাশি শিক্ষিকাদের পোশাক টেনে ছিঁড়ে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। সব থেকে বড় কথা, কোনো মিডিয়াকে ঘটনাস্থলে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে, আন্দোলনকারীরা সোশ্যাল মিডিয়াতেই তাঁদের উপর অত্যাচারের কথা প্রকাশ করেছেন। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত পুলিশের তরফে সরকারি কোনো তথ্য বা বিবৃতি পাওয়া যায় নি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!