এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্প নিয়ে ক্রমশ ঘুম উড়ছে রাজ্য সরকারের

‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্প নিয়ে ক্রমশ ঘুম উড়ছে রাজ্য সরকারের

বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান নিজের স্বার্থ দেখতে গিয়ে স্বাস্থ্যসাথীর সাথে যুক্ত হতে চাইছেন না খবর এমনটাই।আর যা নিয়ে ঘুম ছুটছে সরকারের।কোন বিভাগের হাসপাতাল কোন চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার করতে পারবে বা করতে বাধ্য, সে বিষয়ে আগেই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের কর্তাদের একাংশ জানান, স্বাস্থ্যসাথীর সঙ্গে যুক্ত প্রথম বিভাগের বেসরকারি হাসপাতালে অধিকাংশ অস্ত্রোপচার করতে হচ্ছে অনেক কম টাকায় (৪০ থেকে ৬০ হাজার)। এটা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তাই এই স্তরের অনেক হাসপাতাল স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে আগ্রহী নয়। বেসরকারী হাসপাতালের নানা প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী বললেন, ”বেশি হাসপাতাল এই প্রকল্পে যুক্ত হলে সাধারণ মানুষের কাছে বিকল্প বেশি থাকবে। বাড়ির কাছে বেসরকারি ক্ষেত্রেও স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া যাবে। তাই আরও বেসরকারি হাসপাতালকে এই প্রকল্পে আনতে স্বাস্থ্য দফতর সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে ।” প্রসঙ্গতপ্রায় দশ লক্ষ রাজ্য সরকারী কর্মচারীকে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পএর আওতাভুক্ত করলো রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। এই দশ লক্ষ কর্মচারীর মধ্যে আছেন প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক থেকে চুক্তিভিত্তিক কর্মী । স্বাস্থ্য ভবনের হিসেব অনুযায়ী এ-পর্যন্ত ৪০০ বেসরকারি হাসপাতাল স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তবে ‘এ’ বা প্রথম বিভাগের অর্থাত্‍ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মানের সমতুল্য মাত্র ৪১টি বেসরকারি হাসপাতাল এই প্রকল্পে এসেছে। ‘বি’ বা দ্বিতীয় বিভাগে প্রায় ৭০ এবং ‘সি’ বা তৃতীয় বিভাগের প্রায় ৩০০ বেসরকারি হাসপাতাল যুক্ত হয়েছে এই প্রকল্পে। যদও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্তাদের একাংশের দাবি এই সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!