এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > উত্তরপ্রদেশে মহাজোট ঘোষণার পরেই বিজেপির রক্তচাপ বাড়িয়ে আরও বড় দাবি অখিলেশ যাদবের

উত্তরপ্রদেশে মহাজোট ঘোষণার পরেই বিজেপির রক্তচাপ বাড়িয়ে আরও বড় দাবি অখিলেশ যাদবের

সম্প্রতি কংগ্রেসকে কার্যত ব্রাত্য রেখেই আসনরফা চূড়ান্ত করে ফেলল সপা-বসপা সুপ্রিমো৷ ১৯’এর লোকসভা ভোটের জন্য ৩৮-৩৮ ফর্মুলায় আসন সমঝোতা ঘোষণাও করে ফেলেছেন অখিলেশ-মায়াবতী। একসময় গোরক্ষপুর-ফুলপুর উপনির্বাচনে এই দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এক ছাতার তলায় এসে বিজেপিকে ভালো মতোই টেক্কা দিয়েছিল। সে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ১৯’এর লোকসভা ভোটে ফের হবে কিনা তা নিয়ে যেমন গুঞ্জন রয়েছে,তেমনি বুয়া-ভাতিজার জোট বিজেপির রক্তচাপ বাড়ালো কিনা তা নিয়েও চর্চা কিছু কম নেই রাজনৈতিকমহলে।

এরমধ্যে আবার সপা-বসপার জোট ঘোষণার পর খানিকটা অসন্তুষ্ট হয়েই উত্তরপ্রদেশে একা লড়াই করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছে কংগ্রেস। সবমিলিয়েই যোগীর রাজ্যে রাজনৈতিক ক্ষেত্র নিয়ে এখন চাপানউতোর তুঙ্গে রয়েছে। এরই মধ্যে শোরগোল ফেলে একটি দাবী করে বসলেন সপা সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব।

বিজেপি নেতারা নাকি রাজনৈতিক ক্যারিয়ার বাঁচাতে জোটে শামিল হতে চাইছেন,ট্যুইটে এমনটাই দাবী করলেন অখিলেশ। সাফ কথায় অখিলেশ যাদব ট্যুইটারে লিখেছেন,‘‘শুধু রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতা-নেত্রীরাই নন, নিচু স্তরের কর্মীরাও জোটে শামিল হতে চাইছেন।’’ সপা প্রধানের এই দাবী স্বাভাবিকভাবেই এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিল।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এবং নিজের বক্তব্যের যথারীতি ব্যাখ্যাও দিয়েছেন সপা সুপ্রিমো। বলেছেন,‘‘বিজেপির বুথ স্তরের কর্মীরা এখন বলছেন, ‘হামারা বুথ, হুয়া চাকনাচুর’। আসলে সপা-বসপা জোটের ঘোষণা বিজেপির নীচু স্তরের কর্মীরা এতোই আতঙ্কিত হয়ে গিয়েছেন যে তাঁরা নিজেদের অস্তিত্ব সংকটে ভুগছেন। এবং এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্যে সপা-বসপায় ভীড় জমাতে চাইছেন তাঁরা। যদিও এ ব্যাপারে বিজেপির তরফ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো মেলেনি।

উল্লেখ্য,উত্তরপ্রদেশে মোট লোকসভার আসন রয়েছে ৮০ টি। গত লোকসভা ভোটে অর্থাৎ ২০১৪ সালে মোদী সুনামিতে কার্যত ভেসে গিয়েছিল সপা এবং বসপা। বিজেপি এবং ‘আপনা দল’জোট বেঁধে ৮০ টির মধ্যে ৭৩ টি আসনেই জয় হাসিল করেছিল। অন্যদিকে আলাদা ভাবে লড়াই করে কোনোমতে ৫ টি আসন পেয়ে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছিল সপা। আর বসপার ঝুলি ছিল শূন্য। তারপর বিধানসভা নির্বাচনেও মোদী ম্যাজিকে সপা-বসপা ফিকে হয়ে গিয়েছিল।

কিন্তু গতবছর ফুলপুর এবং গোরক্ষপুর লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে ফর্মে ফেরে সপা-বসপা। উত্তরপ্রদেশের এই দুই যুযুধান গোষ্ঠী জোট বেঁধে বিজেপিকেই হারিয়ে দিয়েছিল। তারপর ১৯’এর লোকসভা ভোটেও বুয়া-ভাতিজার জুটি কামাল করবে এই আশা নিয়ে ফের আসন সমঝোতায় এসেছে মায়াবতী-অখিলেশ। এরই মধ্যে বিজেপির অস্বস্তি বাড়িয়ে এদিন সপা সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব করে ফেললেন এক বিতর্কিত মন্তব্যে। আপাতত সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিকমহলে,এমনটাই খবর।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!