এখন পড়ছেন
হোম > আন্তর্জাতিক > আবার ‘এয়ার স্ট্রাইক’! ত্রিপোলিতে বিমান হানায় মৃত ৪০, আহত ৮০

আবার ‘এয়ার স্ট্রাইক’! ত্রিপোলিতে বিমান হানায় মৃত ৪০, আহত ৮০

লিবিয়ায় রাজধানীতে বুধবার ভোরে অভিবাসীদের জন্য একটি সংশোধনাগারে বিমান হানায় অন্তত ৪০ জনের প্রাণ গিয়েছে। খবরের সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন দেশের ইউএন সমর্থিত এক সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। এর পাশাপাশিই, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মালেক মার্সেট বলেন, ত্রিপোলির তাজৌড়ায় অবস্থিত ওই সংশোধনাগারে বিমানহানায় অন্তত৮০ জন আহত হয়েছেন।

আহতদের অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ছবিও তিনি পোস্ট করেছেন। এর পাশাপাশি, এক বিবৃতিতে ইউএন সমর্থিত সরকার, এই বিমানহানার জন্য খলিফা হিফ্টারের নেতৃত্বাধীন স্বৈরাচারী লিবিয়ান জাতীয় সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছে। প্রসঙ্গত, বিগত এপ্রিল মাসে দুর্বল ত্রিপোলি সরকারের বিরুদ্ধে এলএনএ একটি আপত্তিকর ঘোষণা করেছিল। হিফটারের বাহিনী দেশটির পূর্ব ও দক্ষিণের বেশিরভাগ অঞ্চলকে নিয়ন্ত্রণকে নিয়ন্ত্রণ করে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

কিন্তু গত সপ্তাহে ত্রিপোলি সরকার রাজধানী থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর ঘারিয়ার পুনরুদ্ধার করে। এই ঘারিয়ার শহরটি এলএনএ বাহিনীর জন্য একটি প্রধান অস্ত্র সরবরাহ ঘাঁটি ছিল। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মনে করা হচ্ছে লিবিয়াতে আবার একটি ভয়ঙ্কর রকমের অস্থির পরিস্থিতি তৈরী হতে চলেছে।

এমনকি, এবারের পরিস্থিতি ২০১১ সালে দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী শাসক মোয়াাম্মার গাদ্দাফির মৃত্যুর পরে হওয়া হিংসাকেও ছাপিয়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত বর্তমানে হাজার হাজার অভিবাসীদের গ্রেপ্তার করে লিবিয়াতে রাখা হয়েছে। আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাহায্যে স্থানীয়দের করা এই গ্রেপ্তারির পরিপ্রেক্ষিতে সেখানে সশস্ত্র উত্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইতিমধ্যেই সে দেশের সরকার খাদ্য ও অন্যান্য সামগ্রীর সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে চাপ দিচ্ছে।

Top
error: Content is protected !!