এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > ৬ বিধায়ক শাসকদলে – সামনে এলো প্রতারণা বৃহত্তর অভিযোগ! জানুন বিস্তারিত

৬ বিধায়ক শাসকদলে – সামনে এলো প্রতারণা বৃহত্তর অভিযোগ! জানুন বিস্তারিত

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বিরোধী দল ছেড়ে ‘উন্নয়নের লক্ষ্যে’ শাসকদল তৃণমূলে নাম লেখানো যেন জলভাত হয়ে গেছে। কিন্তু, লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই গোটা দেশ জুড়ে যেন দলবদলের হিড়িক লেগেছে। আর এবার সেই দলবদলের পালা সাঙ্গ হল রাজস্থানে – আর তার সঙ্গেই সামনে এল ‘প্রতারণার’ অভিযোগ – যা নিয়ে সরগরম জাতীয় রাজনীতি। প্রসঙ্গত, বিগত বিধানসভা নির্বাচনে, রাজস্থানে ক্ষমতার পালাবদল হয়। বিজেপিকে রুখে সেখানে ক্ষমতায় ফেরে কংগ্রেস।

রাজস্থানে একক বৃহত্তম দল হয়ে পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় কংগ্রেস। কিন্তু, লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিরোধী বৃহত্তম বিরোধী জোট গঠনের লক্ষ্যে মায়াবতীর নেতৃত্বাধীন বহুজন সমাজবাদী পার্টির ৬ বিধায়কও সরকারের পাশে থাকার অঙ্গীকার জানায়। কিন্তু, সেই জোটকে সামান্যতম সম্মানও না দিয়ে এবার বিএসপির সেই ৬ জন সদস্যকেই নিজেদের দলে নিয়ে নিল কংগ্রেস। স্বাভাবিকভাবেই – এতে সরকারের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হল। কিন্তু, যেভাবে এই দলবদল হল, তাতে বেজায় চটেছেন মায়াবতী।

আর তারফলেই তিনি সামনে নিয়ে এসেছেন এই ‘প্রতারণার তত্ত্ব। রীতিমত ক্ষুব্ধ বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতী তাঁর ট্যুইটার হ‍্যান্ডেলে লেখেন, “বিএসপি’র মধ্যে ভাঙন ধরিয়ে রাজস্থানে কংগ্রেস ফের প্রমাণ করল, তারা বিশ্বাসযোগ্য নয় – প্রতারক। আরও মারাত্মক শত্রুর (বিজেপি) বিরুদ্ধে লড়াই না করে যে দলগুলি তাকে সমর্থন করে, কংগ্রেস তাদেরই ক্ষতি করছে।” স্বাভাবিকভাবেই মায়াবতীর এই বিস্ফোরক ট্যুইটের পরে ঝড় উঠে গেছে জাতীয় রাজনীতিতে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

তবে, তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগের ডালি এখানেই সমাপ্ত করেন নি এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। তিনি আরও লিখেছেন, “কংগ্রেস বরাবরই বি আর আম্বেদকর ও তাঁর মতাদর্শের বিরোধিতা করে এসেছে। সে জন্যই আম্বেদকরকে দেশের প্রথম আইন মন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। কংগ্রেস আম্বেদকরকে ‘ভারতরত্ন’ উপাধি থেকেও বঞ্চিত করেছে।” এমনিতেই লোকসভা নির্বাচনে গেরুয়া-ঝড়ের চোটে বিরোধী ঐক্য ধুয়ে-মুছে সাফ হয়ে গেছে।

কংগ্রেসের এই পদক্ষেপের পরে ও তার পরিপ্রেক্ষিতে মায়াবতীর তোপের চোটে, তা যে আরও অতলে তলিয়ে গেল সেই নিয়ে কোনো সন্দেহই নেই রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। এদিকে জানা গেছে, আজ বিএসপির ৬ জন বিধায়ক (রাজেন্দ্র গুরা, যোগেন্দ্র সিংহ আওয়ানা, ওয়াজিব আলী, লক্ষণ সিংহ, সন্দীপ যাদব ও দীপ চাঁদ) রাজস্থান বিধানসভার স্পিকার সি পি জোশীর হাতে নিজেদের দলবদলের নথি তুলে দেন। ফলে, রাজস্থানে কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা বেড়ে হল ১১৮। এর আগে ১২ জন নির্দল বিধায়কও কংগ্রেসে যোগ দেন।

প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি কে হারিয়ে কংগ্রেস ক্ষমতায় এলেও, লোকসভা নির্বাচনে দেখা গেছে – গেরুয়া-ঝড়ের সামনে খড়কুটোর মত উড়ে গেছে শতাব্দী প্রাচীন এই দলটি। এদিকে, রাজস্থানে এখন পর পর নির্বাচন – পুরভোট হবে নভেম্বরে আর আগামী জানুয়ারিতে হবে পঞ্চায়েত ভোট। ফলে, এইসব স্থানীয় নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরকে আটকাতেই এইভাবে দলবদল করিয়ে নিজেদের শক্তিবৃদ্ধি করল কংগ্রেস বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!