এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > লোকসভা নির্বাচনের আগে অধীর চৌধুরীর একের পর এক ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে’ ঘুম উড়ছে তৃণমূলের?

লোকসভা নির্বাচনের আগে অধীর চৌধুরীর একের পর এক ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে’ ঘুম উড়ছে তৃণমূলের?

মুর্শিদাবাদ জেলার রাজনীতি ও অধীর চৌধুরী, কোথাও যেন সমার্থক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ঘোষিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী অধীর চৌধুরী, রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে উৎখাত করতে জোট বাঁধেন প্রবল যুযুধান প্রতিপক্ষ বামফ্রন্টের সঙ্গে। যদিও, সংখ্যার হিসাবে সেই জোটকে কার্যত চুরমার করে তৃণমূল কংগ্রেস জেতে ২৯৪ টির মধ্যে ২১১ টি আসন। কিন্তু, বহু আসনেই জয়ের ব্যবধান ছিল শিউরে দেওয়ার মত – ৫০০ থেকে ৫,০০০ হাজার ভোটের মধ্যে। ফলে, এরপরেই কার্যত তৃণমূল কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় রাজনৈতিকভাবে অধীর চৌধুরীকে শেষ করার।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব দেন একান্ত অনুগত দাপুটে মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। শুভেন্দুবাবু দায়িত্ব পেয়েই ধীরে ধীরে দলবদল করাতে থাকেন বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যদের – যাঁরা আদতে জিতেছেন কংগ্রেসের টিকিটে। তারপর তিনি হাত শিবির থেকে ঘাসফুল শিবিরে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেন বিভিন্ন পুরসভার কংগ্রেসের জনপ্রতিনিধিদের, এমনকি শেষ পর্যন্ত দলবদল করে ছিনিয়ে নেন কংগ্রেস পরিচালিত মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদও। প্রকাশ্যেই শুভেন্দু অধিকারী হুমকি দিতে থাকেন – জেলা থেকে কংগ্রেসকে কার্যত ‘সাইনবোর্ড’ করে দেবেন এবং সেই মত অধীর চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ বিধায়কদেরও তৃণমূলে যোগ দেওয়াতে থাকেন তিনি।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

যখন চোখে দেখে মনে হচ্ছিল – অধীর চৌধুরীর রাজনৈতিক শক্তি সবটাই প্রায় শুষে নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস, ঠিক তখনই যেন মুর্শিদাবাদের ‘রবিনহুড’ প্রমান করে দিচ্ছেন দিনের পর দিন যে মুর্শিদাবাদের বুক থেকে অধীর চৌধুরীর নাম মুছে দেওয়া বোধহয় এতটাও সহজ নয়! বেশ কিছুদিন চুপ করে থাকলেও, নির্বাচন ঘোষণার কিছুদিন আগে থেকেই তিনি পাল্টা ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ শুরু করেন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে – যে সব কংগ্রেস কর্মীরা তৃণমূলে গিয়ে সম্মান পান নি, তাঁদের ‘ঘর ওয়াপসি’ করাতে শুরু করেন ধীরে ধীরে। আর নির্বাচন ঘোশনা হয়ে যাওয়ার পরে – তাঁর সেই সার্জিক্যাল স্ট্রিকের রেট যেন বেড়ে গেছে বহুগুন – শুধু পুরোনো কংগ্রেস কর্মীদেরই নয়, তাঁর হাত ধরে হাত-শিবিরে আগমন ঘটছে তৃণমূল কর্মীদেরও।

স্থানীয় সূত্রের খবর, আজ অধীর চৌধুরীর হাত ধরলেন লালগোলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের ব্লক সাধারণ সম্পাদক হারুন অল রসিদ – যা রাজনৈতিকভাবে ঘাসফুল শিবিরের কাছে বড়সড় ধাক্কা বলে মেনে নিচ্ছে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল। তার থেকেও বড় কথা, হারুন অল রসিদের নেতৃত্বে আরও ২৫ জন সক্রিয় কর্মী হাত শিবিরে আসার পর হারুন সাহেবের দাবী, আগামীদিনে নাকি আরও চমক বাকি আছে – আরও কর্মী-সমর্থকদের লাইন লেগে আছে অধীর চৌধুরীর শিবিরে নাম লেখানোর জন্য। যার কিছুটা প্রমান পাওয়া গেল, যখন অধীর চৌধুরী নির্বাচনের প্রচারে কান্দিতে গেলে, সেখানে অন্তত শ দেড়েক কর্মী যোগ দেন কংগ্রেসে। অধীরবাবুও সেই ব্যাপারে কিছুটা নিশ্চিত করেই নতুনদের দলে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এঁরা তো হিমশৈলের চূড়ামাত্র, এখনও বহু মানুষ লাইন দিয়ে রয়েছেন। তাঁরা ঘরে ফিরতে চান, তাঁরা ঘরে ফিরবেন – শীঘ্রই যোগদান করবেন কংগ্রেসে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!