এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > সোমেন মিত্রের ডাকা মহামিছিলে না হেঁটে পৃথক কর্মসূচি নিয়ে জল্পনা বাড়ালেন অধীর চৌধুরী

সোমেন মিত্রের ডাকা মহামিছিলে না হেঁটে পৃথক কর্মসূচি নিয়ে জল্পনা বাড়ালেন অধীর চৌধুরী

এবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন বনাম বর্তমানের দুই গোষ্ঠীর কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এলো। সূত্রের খবর, বঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর চৌধুরীর সাথে বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের সম্পর্কটা খুব একটা মধুর নয়।

তাই অধীর চৌধুরীকে সেই সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরই বর্তমান সভাপতি সোমেন মিত্রের অনুগামীদের বিরুদ্ধে অধীর অনুগামীরা একের পর এক অভিযোগ তুলছিল। কিন্তু হাইকমান্ডের নির্দেশে সেই অধীর-সোমেন দ্বৈরথ কিছুটা বন্ধ হলেও অসমের বাঙালি নিধনে বিজেপি বিরোধিতায় পথে নেমে সেই দুই নেতার বিরোধই ফের এদিন স্পষ্ট হয়ে উঠল।

সূত্রের খবর, অসমের তিনসুকিয়া 5 বাঙালি হত্যার প্রতিবাদে গতকাল রাজ্যজুড়ে ‘কালা দিবস’ পালনের ডাক দিয়েছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। আর প্রদেশ সভাপতির এই নির্দেশকে মান্যতা দিয়ে রাজ্যের প্রায় প্রতি জেলাতেই মিছিল বের করে কংগ্রেস।

জানা গেছে, হাজরা থেকে বিড়লা তারামন্ডল, রাজাবাজার থেকে মৌলালি এবং রাম মন্দির থেকে মহাজাতি সদন পর্যন্ত এদিন পৃথক পৃথক মিছিল শুরু হয়। আর এদিনের এই মিছিলে পা মেলান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র, সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য এবং রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নানের মতো নেতারা।

কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে সেখানে উপস্থিত হতেই দেখা গেল না প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীকে। উল্টে এদিন দলের একটি পৃথক সমাবেশে যোগ দেন তিনি। জানা গেছে, মানবাধিকার সেলের উদ্যোগে বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধির প্রতিবাদে এদিন নিজ অনুগামীদের নিয়ে পার্কস্ট্রিট মোড় থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত একটি মিছিলে পা মেলান অধীরবাবু।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

পাশাপাশি এই মিছিল থেকে অসমের গণহত্যা নিয়েও প্রতিবাদ জানান তিনি। কিন্তু যেখানে বঙ্গের এই হেভিওয়েট কংগ্রেস নেতারা এক হয়ে পথে নামলেন ঠিক সেখানেই কেন যোগ দিলেন না অধীর চৌধুরী? তাহলে কি প্রাক্তন বনাম বর্তমানের দ্বন্দ্বে এখন দ্বিধাবিভক্ত বিধান ভবন? যদিও বা এই সমস্ত দাবি নস্যাৎ করে দিয়েছেন সোমেন মিত্র এবং অধীর চৌধুরীরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!