এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > রাষ্ট্রপতি শাসন নিয়ে মুখ খুলে জল্পনা বাড়ালেন অধীর চৌধুরী

রাষ্ট্রপতি শাসন নিয়ে মুখ খুলে জল্পনা বাড়ালেন অধীর চৌধুরী

লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি সন্দেশখালির ন্যাজাটের ভাঙিপাড়া গ্রামে দুই বিজেপি কর্মীর মৃত্যু রাজ্যের আইনশৃঙ্খলাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। যা নিয়ে বিজেপির তরফে বর্তমানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ জানানো হচ্ছে।

এমনকি সম্প্রতি এই ভাঙিপাড়া গ্রামের ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী রিপোর্ট জমা দিলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হওয়ার জল্পনা তৈরি হয়। আর এবার এই পরিপ্রেক্ষিতে গোটা অবস্থা নিয়ে মুখ খুললেন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এদিন এই গোটা ঘটনা নিয়ে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপিকেই কাঠগড়ায় তোলেন তিনি। তাহলে কি বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হওয়া উচিত?

হাতের মুঠোয় আরও সহজে প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে যোগ দিন –

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

এদিন এই প্রসঙ্গে অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, “দলদাসে পরিণত পুলিশ, প্রশাসন লোকসভা ভোটের পর আর রাজ্যের শাসকদলের কথা শুনছে না। আর ভোটের ফলে উৎসাহিত বিজেপি প্রতিনিয়ত তৃণমূলের সঙ্গে সংঘাতে যাচ্ছে। আর এই দুইয়ের জন্য রাজ্যবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। তাই এই অবস্থায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে কোনো লাভ হবে না। তৃণমূল এবং বিজেপি যদি হিংসা পাল্টা হিংসা বন্ধ না করে, তাহলে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হতে বাধ্য। তাই হিংসা থামাতে তারা যদি আন্তরিক হয়, তাহলেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।”

এদিকে এদিন নীলরতন সরকার হাসপাতালে গন্ডগোলের জেরে গোটা রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থা শিকেয় ওঠায় এদিন এই প্রসঙ্গে শাসকদলের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। তিনি বলেন, “যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর উচিত জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া। এই সব গোলমাল মোটেই কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়। গোটা রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবায় বিঘ্ন ঘটায় সাধারন মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।”

এদিকে রাজ্যে যে ক্রমবর্ধমান হিংসার ঘটনা ঘটে চলেছে, তার বিরুদ্ধে আগামী 14 জুন গান্ধীমূর্তির পাদদেশে কংগ্রেস অবস্থানে বসবে বলেও জানা গেছে। সব মিলিয়ে এবার একদিকে রাজ্যের ক্রমবর্ধমান হিংসা এবং অন্যদিকে চিকিৎসাব্যবস্থা শিকেয় ওঠায় কেন্দ্র এবং রাজ্যের শাসকদলের উদ্দেশ্যে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন ও বর্তমান সভাপতি।

Top
error: Content is protected !!