এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > আদালতের রায়ে একযোগে বড় ধাক্কা এয়ারটেল-ভোডাফোনের! জানুন বিস্তারিত

আদালতের রায়ে একযোগে বড় ধাক্কা এয়ারটেল-ভোডাফোনের! জানুন বিস্তারিত

লাইসেন্স ফি এবং স্পেকট্রাম ব্যবহারের চার্জ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এবার মাথায় হাত ভারতী এয়ারটেল এবং ভোডাফোন আইডিয়ার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে 28309 কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে তাঁদের সরকারের কাছে। এই টাকা যদি সরকারকে এখন তাঁদের দিতে হয় তাহলে নেটওয়ার্ক পরিকাঠামো সম্প্রসারণের জন্য তাঁদের হাতে আর কোনো অর্থ থাকবে না। প্রতিযোগিতার বাজারে অন্যরকম সমস্যায় পড়েছে ভারতী এয়ারটেল এবং ভোডাফোন আইডিয়া। আপাতত এই বিপদ থেকে বাঁচতে এই দুই টেলিকম কোম্পানি সরকারের শরণাপন্ন হয়েছে।

টেলিকম সংস্থায় জিও পদার্পণের পর থেকেই বেশ কিছুটা পেছনের সারিতে চলে গেছে এয়ারটেল, ভোডাফোন। যথেষ্ট প্রতিযোগিতায় লড়ে তাঁদের টেলিকম বাজারে টিকে থাকতে হচ্ছে। আর এর মধ্যেই বড় বিপদ তাঁদের। সুপ্রিমকোর্টের রায়ে এবার কেন্দ্রকে বড় অংকের টাকা দিতে হবে এই দুই টেলিকম সংস্থাকে। ফলে আর্থিক দায় এর চাপ এই দুই টেলিকম সংস্থাকে আরও বিপাকে ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

1999 সালে টেলিকম রীতি অনুসারে একটি আইন প্রণয়ন হয়, যাতে বলা হয়- টেলিকম সংস্থাগুলির মোট আয় এর কিছু শতাংশ লাইসেন্স ফি ও স্পেক্ট্রাম ব্যবহারের চার্জ কেন্দ্রীয় সরকারকে দিতে হবে। কিন্তু 2005 সালে এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করে টেলিকম সংস্থাগুলির সংগঠন অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া বা সিওএআই।

কিন্তু 14 বছরের পুরনো মামলাকে সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দেয়। তিন বিচারপতির বেঞ্চ এই রায় দেন। সেটাই বৈধ বলে মান্যতা পায়। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় টেলিকম দপ্তর সংস্থাগুলির ‘আ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভিনিউ’ বা এজিআর এর এক সংজ্ঞা দিয়েছিলো।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এই রায়ের ফলে দেখা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকার এই দুই টেলিকম সংস্থার কাছ থেকে শুধু জরিমানাসহ মোট 92 হাজার 648 কোটি টাকা পাবে। যার মধ্যে লাইসেন্স ও স্পেকট্রাম চার্জ হচ্ছে 23 হাজার 189 কোটি টাকা। এর উপর সুদ 41 হাজার 650 কোটি টাকা। এছাড়া জরিমানা রয়েছে 10,923 কোটি টাকা এবং জরিমানার উপর সুদ চাপছে 16,878 কোটি টাকা।

এই রায়ের ফলে এয়ারটেলকে 21 হাজার 682 কোটি টাকা এবং ভোডাফোন আইডিয়া কে 28 হাজার 308 কোটি টাকা কেন্দ্রীয় সরকারকে দিতে হবে। তুলনায় টেলিকম ব্যবসায় নতুন রিলায়েন্স জিওকে উল্লেখযোগ্যভাবে মাত্র তেরো কোটি টাকা দিতে হবে।

এই অবস্থায় বকেয়া পাওনার উপর সুদ ও জরিমানা মকুব করার জন্য ভোডাফোন আইডিয়া ইতিমধ্যে সরকারকে আর্জি জানানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের রায়ের রিভিউ পিটিশন দাখিল করতে পারে বলে খবর টেলিকম সংস্থার মারফৎ। এমনিতেই টেলিকম সংস্থাগুলি বিপুল ঋণভার এর সঙ্গে তীব্র মাসুলের যুদ্ধে জেরবার। ঠিক সেই সময় সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ে তাঁদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে।

অন্যদিকে, টেলিকম বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, কেন্দ্রকে যদি টেলিকম সংস্থাগুলি এত বিপুল অর্থ দেয়, তাহলে ব্যাংক ঋণের অনেকটাই এবার অনাদায়ী থেকে যাবে। আপাতত সমগ্র বিষয়টির ওপর নজর রেখেছে টেলিকম বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!