এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > চিকিৎসককে মেরে মাথা ফাটানোর অভিযোগ তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে

চিকিৎসককে মেরে মাথা ফাটানোর অভিযোগ তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে

মাত্র কদিন আগেই  রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি শিবিরের দলীয় কোন্দলের সাক্ষী হয়েছিলো পুরুলিয়ার জঙ্গলমহলের বলরামপুর অঞ্চলের মানুষজন। এবার আবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলো ঐ জেলার আদিবাসী-প্রধান আর এক ব্লক বরাবাজারে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

আর এই ঘটনার জেরে ক্ষতিগ্রস্থ হলো এলাকার স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র। দুই দলের হানাহানির ঘটনায় গুরুতর জখম দলীয় কর্মীদের চিকিৎসার প্রয়োজনে হাসপাতাল যাওয়ার জন্যে অ্যাম্বুল্যান্স না পেয়ে ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসককে শারিরীক নিগ্রহের অভিযোগ উঠলো তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের অভিযোগ সোমবার রাতে নিশ্চিন্তপুরে বিজেপি কর্মীরা,তাদের পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী প্রতিমা মাহাতোর স্বামী মনোজ মাহাতোর মাথায় কুড়ুলের কোপ মারে। এই ঘটনায় আরও ২ জন শাসকদলের কর্মী আহত হন। যদিও এলাকার স্থানীয় অধিবাসীদের কথা অনুযায়ী এরপরে দুই দলের কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি চলে। এরপরে দলের ব্লক কার্যকরী সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির বিদায়ী সহ-সভাপতি প্রতুল মাহাতো জখম তিন দলীয় কর্মীকে বরাবাজার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে  কর্তব্যরত ডাক্তার বিপ্লব মন্ডল আহত মনোজ বাবুকে চিকিৎসার প্রয়োজনে ‘বড় হাসপাতালে’ নিয়ে যেতে বলেন। এইসময় আহত ব্যক্তি অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার অ্যাম্বুল্যান্স না পেয়ে প্রতুল বাবুর নেতৃত্বে দলীয় কর্মীরা কর্তব্যরত ডাক্তার বিপ্লব মন্ডলকে শারিরীক নিগ্রহ করে। বিপ্লব বাবুর অভিযোগ করে বললেন, ”প্রতুলবাবু স্থানীয় রোগীকল্যাণ সমিতির সদস্য হওয়ার দৌলতে ভালই জানেন, এখানে দু’টি মাতৃযান ছাড়া, সাধারণ রোগীদের অ্যাম্বুল্যান্স নেই। তবুও ‘কেন অ্যাম্বুল্যান্স নেই’ বলতে বলতে উনি আমাকে চুলের মুঠি ধরে চড়, ঘুষি মেরে মেঝেতে ফেলে দেন। আমার কপাল ফেটে যায়। আমাকে ওঁর সঙ্গীরা লাথি মারে।” তিনি এদিন পার্শ্ববর্তী থানায় প্রতুলবাবু ও অন্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এই প্রসঙ্গে  জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অনিলকুমার দত্ত বলেন, ”চিকিত্‍সকই যদি বিনা কারণে মার খান, তা হলে পরিষেবার কী হবে?”

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!