এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > তৃণমূলের পঞ্চায়েতের দিকনির্দেশ করতে কড়া ফরমান সুব্রত বক্সি-ফিরহাদ হাকিমের

তৃণমূলের পঞ্চায়েতের দিকনির্দেশ করতে কড়া ফরমান সুব্রত বক্সি-ফিরহাদ হাকিমের

শনিবার হাওড়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের (সদর) আমন্ত্রনে ডুমুরজলা স্টেডিয়াম ময়দানে পঞ্চায়েতিরাজ ও নগরপালিকা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো । সম্মেলনের উদ্বোধন করেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সাংসদ সুব্রত বক্সী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। ওই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সমবায় দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী তথা হাওড়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেস(সদর) সভাপতি অরূপ রায়। এছাড়াও অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, হাওড়ার মেয়র রথীন চক্রবর্তী, রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। এই সম্মেলনের মাধ্যমে ডোমজুড়, পাঁচলা, জগত্‍বল্লভপুর, বালি-জগাছা ও সাঁকরাইল ব্লক সহ হাওড়া পুরসভা অর্থাৎ গোটা সদর সদর এলাকা নিয়েই আসন্ন পঞ্চায়েত ও আগামী পুরভোটের প্রস্তুতি শুরু করে দিল তৃণমূল। এই পঞ্চায়েতিরাজ ও নগরপালিকা সম্মেলনে হাওড়া সদরের বিভিন্ন বিধানসভা এলাকার কয়েক হাজার কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এই সম্মেলনের উদ্বোধক সুব্রত বক্সি তাঁর ভাষনে বললেন , ”বিরোধীদের লাগাতার কুত্‍সা অপপ্রচার সত্ত্বেও বাংলার মানুষ মমতাকে আশীর্বাদ করেছেন। সামনের পঞ্চায়েত নির্বাচন খুব কঠিন লড়াই নয়। নির্বাচনের দিন যখনই ঘোষণা হোক না কেন আমরা রাজনৈতিকভাবে নির্বাচনে লড়তে তৈরি আছি।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

দলের অনেক কর্মী আছেন, যাঁরা কোনও কারণে উপেক্ষিত। আবার অনেকেই আছেন যাঁরা কোনও পদ চান না কিংবা টিকিট চান না। কিন্তু যোগ্য সম্মান চান তাঁরা। এদের সকলকে সঙ্গে নিয়েই সংঘবদ্ধভাবে নির্বাচনে লড়তে হবে। এই নির্বাচন খুবই তাত্‍পর্যপূর্ণ। কারণ আগামী দিনে এর মাধ্যমেই ভারতের ঠিকানা গঠিত হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলের তৃণমূল স্তরের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে চলতে হবে। বিদ্রোহ করে কোনও লাভ হবে না। দলীয় প্রতীক ও পতাকাকে সঙ্গে নিয়ে চলতে হবে।” পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম তাঁর ভাষণে দলীয় সম্প্রীতির পাশাপাশি গেরুয়া শিবির কে কার্যতই আক্রমন করে বললেন, ”আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং হাওড়া পুরভোট আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়তে হবে। এই নীতির লড়াইয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করতে হবে। এখন সিপিএমের অস্তিত্ব শেষ হয়ে গেছে। কেন্দ্রের সরকার বিজেপি অর্থ এবং পেশীশক্তির বলে দেশকে কলুষিত করছে। বিজেপি মুক্ত দেশ গড়তে হবে। মানুষ তাকিয়ে আছেন মমতার দিকেই। উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে মানুষ মমতাকেই সমর্থন করবে। সব আসনেই আমরা জয়লাভ করব। মমতা আমাদের নেত্রী। দিদি এবং অভিভাবক। তাঁকে আমরা সম্মান করি। শ্রদ্ধা করি। ভয়ও করি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য আমাদের গর্ব হয়।” প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত মাসেই হাওড়ায় ডুমুরজলা স্টেডিয়াম ময়দানে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নেতৃত্বে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলা নিয়ে সর্ববৃহত্‍ ছাত্র যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো । তারই মাত্র দেড় মাসের ব্যবধানে তৃণমূল নেতৃত্ব আবার হাওড়া সদরে পঞ্চায়েতিরাজ ও নগরপালিকা সম্মেলন করল ।

Top
error: Content is protected !!