এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > তৃণমূল কর্মী খুন অভিযোগের তীর কংগ্রেসের দিকে

তৃণমূল কর্মী খুন অভিযোগের তীর কংগ্রেসের দিকে

ফের কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তৃণমূলের তরফ থেকে অভিযোগ উঠল বোমাবাজি করার। এবার ঘটনাস্থল মুর্শিদাবাদের বড়ঞা এলাকা। জানা গেছে,এদিন সকাল ১১ টা নাগাধ তৃণমূল কার্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তৃণমূল নেতা রবিউল হক্। এইসময়ই পথ আটকে তাঁর দিকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়ে দুষ্কৃতিরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। এরপর বোমাবাজি করতে করতেই পালায় তাঁরা। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী এবং সমর্থকরা বোমার আওয়াজ শুনেই ওই স্থানে আসে। খবর দেয় পুলিশকে। পুলিশ এসে উদ্ধার করে মৃতের দেহ। এই ঘটনার প্রতিবাদে পথেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে উত্তেজিত তৃণমূলকর্মীরা। এই ঘটনার জেরে তৃণমূলের বিরুদ্ধেও পাল্টা অভিযোগ ওঠে বোমাবাজি করার। অভিযোগ ওঠে যে তাঁদের বোমাবাজি করার জন্যেই রবিউল খুনে অভিযুক্ত সামজেদের বাড়িতে আগুন ধরে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছান রাজ্য যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সৌমিক হোসেন।বক্তব্যে তিনি জানান, “বড়ঞা ব্লকের গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদ প্রত্যেকটি আসনেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রবিউল হকের নেতৃত্বে বড়ঞার তৃণমূল শক্তিশালী হয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেস, বামফ্রন্ট মূলত হারিয়ে গেছে। বিশেষ করে কংগ্রেস। তাই তারা খুনের রাজনীতি শুরু করেছে। আমি পুলিশকে অনুরোধ করেছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দোষীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তি দেওয়া হোক।” এই অভিযোগ অস্বীকার করে বড়ঞা বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস বিধায়ক প্রতিমা রজক বলেন, “ যিনি খুন হয়েছেন তাঁকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনতাম। ভালো মানুষ ছিলেন। আমার সঙ্গে সম্পর্কও ভালো ছিল। যারা তাঁকে খুন করেছে তাদের শাস্তি হোক এটা আশা করছি। তবে এই ঘটনায় কোনওভাবেই কংগ্রেস জড়িত নয়। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এই খুনের ঘটনা ঘটেছে।”

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!