এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > শুভেন্দু-গড়ে বিক্ষুব্ধের বাগে আনা যাচ্ছে না, ক্রমশ ঘুম উড়ছে শাসকদলের

শুভেন্দু-গড়ে বিক্ষুব্ধের বাগে আনা যাচ্ছে না, ক্রমশ ঘুম উড়ছে শাসকদলের

Priyo Bandhu Media

প্রত্যাশা অনুয়ারী গোঁজ প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় রীতিমতো বিপাকে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব ঐ জেলার গোঁজ প্রার্থীদের একটা বড় অংশ তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবে অনুমান করেছিলো। কিন্তু শেষ অবধি তাঁদের মুখরক্ষা হলোনা। উল্লেখ্য পশ্চিম মেদিনীপুরে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের আসন সংখ্যা যথাক্রমে ৩০৪০, ৬১১ এবং ৫১। গত শুক্রবার অবধি পঞ্চায়েত সমিতিতে ৬১১টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতার জন্যে ১১৯১টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এরা সকলেই তৃণমূলেরই গোঁজ প্রার্থী । এর মধ্যে থেকে শনিবার আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ জন তৃণমূল প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। অন্যদিকে ঝাড়গ্রামে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের সংখ্যা যথাক্রমে ৮০৬, ১৮৭ এবং ১৬। গত শুক্রবার অবধি শুধু গ্রাম পঞ্চায়েতেই ১২৮৬টি মনোনয়ন জমা পড়ে। এবং শনিবার ৩১০ জন তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়। গোঁজ প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের এই ঘটনা স্বভাবতই ইঙ্গিত করে যে জেলা নেতৃত্ব ঝাড়গ্রামে বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতাদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে দলের প্রতি তাঁদের রোষ নিরশন করতে পেরেছে। রাজ্যের আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার সাথে সাথেই শাসকদলের সদস্যদের মধ্যে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার জন্যে রেষারেষি শুরু হয়। একটী আসনে অনেক দাবিদার হওয়ায় , দলীয় স্বীকৃতি পাওয়ার লড়াই তীব্র হতে দেখা যায়। শেষ অবধি একজন দলীয় সদস্য দল মনোনীত প্রার্থী হিসেবে স্বীকৃতি পেলে অন্যেরা অল্প বিস্তর ক্ষুদ্ধ হয়েই নির্দল প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার সিদ্ধান্ত নেয়। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় এই বিক্ষুদ্ধ দলীয় কর্মীদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে তাঁদের নির্দল হিসেবে প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ানোর কাজে ব্যর্থ হয় জেলা নেতৃত্ব। সূত্রের খবর অনুসারে জানা যাচ্ছে ঐ জেলার দলীয় নেতৃত্ব বিক্ষুদ্ধ প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্যে কিছু লোভনীয় প্রস্তাব ও দেন। যার মধ্যে রয়েছে ব্লক বা জেলা স্তরে নেতৃত্ব দানের সুযোগ। বেশ কিছু প্রার্থী জেলা নেতৃত্বের এই প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়ে তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেয়। এবং অনেকেই নিজেদের জেদ বজায় রেখে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই প্রসঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি অজিত মাইতি বললেন, ”নির্দল বা গোঁজ প্রার্থীদের বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে তাঁরা দলগতভাবে কাজ করে। যদিও তাঁরা তৃণমূল প্রার্থীদের জয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না। মানুষ আমাদের সঙ্গে আছেন।”

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!