এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > শোভন-বৈশাখী সম্পর্ক নিয়ে এবার আসরে রত্নাদেবীর বাবা, ঘটালেন রীতিমত বিস্ফোরণ

শোভন-বৈশাখী সম্পর্ক নিয়ে এবার আসরে রত্নাদেবীর বাবা, ঘটালেন রীতিমত বিস্ফোরণ

শোভন-বৈশাখী সম্পর্ক নিয়ে এবার রত্নাদেবীর বাবা,রীতিমত বিস্ফোরণ ঘটালেন। মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের শ্বশুর তথা মহেশতলা পুরসভার প্রধান দুলাল দাস মেয়রের বিরুদ্দে একাধিক অভিযোগ তোলেন। যেগুলির মধ্যে কয়েকটি অভিযোগ মারাত্মক। দুলাল এদিন বললেন, “মেয়রের ফ্ল্যাট থেকে অধিক রাতেও বৈশাখীকে বের হতে দেখা গিয়েছে। দুলালবাবুর সদ্য প্রয়াত স্ত্রী বিধায়ক কস্তুরিদেবীকে নিজের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই দেননি শোভন। এর পর থেকেই কস্তুরিদেবী অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মৃত্যু হয়। বৈশাখীর জন্যই শোভন-রত্না দাম্পত্য সম্পর্কে চিড় ধরেছে। শোভনের দুঃসময়ের জন্য দায়ী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।” প্রসঙ্গত  বৈশাখীকে পারিবারিক বন্ধু বলে দাবি করেন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। এদিন মেয়র কার্যত দাবি করে বললেন যে , ”ইডি নারদাকাণ্ডে তলব করলে নথি তৈরি করতে অনেক রাত হতো। তাই বৈশাখী আমার ফ্ল্যাট থেকে গভীর রাতেও বেরিয়েছে। অনেক সময়ে আমি, বৈশাখী, চাটার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ও আমার দাদা একসঙ্গে বসে নথি তৈরি করেছি।” গতকাল মেয়র পত্নী রত্না দেবী বৈশাখী দেবী কে পারিবারিক বন্ধু মানতে অস্বীকার করলে এদিন মেয়র শোভন বাবু বললেন, ”রত্না, বৈশাখী আমি একসঙ্গে মুম্বই গিয়েছি। এখন কেউ ভুলে গেলে আমার কিছু করার নেই।” মেয়র আরো দাবি করলেন যে তিনি ও তাঁর স্ত্রী রত্না দেবী ২০১০ সাল থেকে বৈশাখী দেবীর সাথে পরিচিত। অন্যদিকে
শাশুড়িকে ফ্ল্যাটে ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগকে অস্বীকার করে এদিন মেয়র বললেন, ”এসব মিথ্যা অভিযোগ।ব্ল্যাঙ্ক চেকে সই করতাম। কোনওদিন প্রশ্ন করিনি। দুলাল দাস কথা বলতে এসেছিলেন, রুচিতে বাধায় কথা বলিনি।” সন্তানদের কথা চিন্তা করে বাড়ি ফিরে আসতে স্ত্রী রত্নাদেবী মেয়রকে অনুরোধ করলেও মেয়র তা মানতে অসম্মত হয়ে বললেন , ”বিশ্বাস ভঙ্গ হওয়ায় বাধ্য হয়ে বাড়ি ছেড়েছি। আমার এখন ৫৫ বছর বয়স। যে ক’দিন বাঁচবো, শান্তিতে থাকতে চাই বলে বাড়ি ছেড়েছি। এর মধ্যে অন্য কোনও উদ্দেশ্য নেই। আমায় আর বৈশাখীকে নিয়ে যে গল্প ছড়ানো হচ্ছে, সব মিথ্যে।”

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!