এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে সরস্বতী পুজো অসাংবিধানিক তাই বন্ধ করার আবেদন,

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে সরস্বতী পুজো অসাংবিধানিক তাই বন্ধ করার আবেদন,

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে কোনও পুজো অথবা ধর্মীয় অনুষ্ঠান কিংবা কোনও ধর্মগুরু অথবা সন্ন্যাসীর জন্ম বা মৃত্যু দিবস পালন করা অসাংবিধানিক, আর তাই এবার তা বন্ধ করার জন্য আবেদন করা হলো প্রশাসনের কাছে। আবেদন করেছেন ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির পুরুলিয়া শাখা। এদিন তারা পুরুলিয়ার জেলা শাসক এবং এই জেলার প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইন্সপেক্টরদের কাছে এই আবেদন জমা দেন।তাদের মতে,আমাদের দেশ সংবিধানগতভাবে একটি ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ রাষ্ট্র৷ তাই সরকারি বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলিতে কোনওরকম ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা সরস্বতী পুজো করা বা কোনও ধর্মগুরুর / সন্ন্যাসীর জন্ম / মৃত্যু দিন পালন করা বেআইনি বা অসাংবিধানিক৷ তাই যেন প্রশাসন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে এই অসাংবিধানিক কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেন এবং সংবিধানের মান রাখেন। ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির পুরুলিয়া শাখার সম্পাদক মধুসূদন মাহাত এদিন জানান,সংবিধানের মর্যাদা অক্ষুণ্ম রাখার জন্য প্রশাসনের তরফে নির্দেশ দেওয়া হবে বলে আমরা আশা করছি৷পুরুলিয়ার জেলাশাসক অবশ্য আবেদনের ব্যাপারটিকে অস্বীকার করে বলেছেন যে তারা কোনো আবেদন পান নি।
কিন্তু ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির পুরুলিয়া শাখা দাবি করছেন তারা আবেদন জমা দিয়েছেন।রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়নমন্ত্রী শান্তিরাম মাহাত বলেন ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে সরস্বতী পুজো করার জন্য সরকারি নির্দেশ নেই৷ আর, কোনও ধর্মীয় গুরু অথবা সন্ন্যাসীর নয়, মনীষীদের জন্ম অথবা মৃত্যু দিবস পালনের কথাই বলা হয়েছে৷সরস্বতী পুজোর আয়োজন ছাত্ররা করে৷ কোনও শিক্ষক করেন না৷ আবেগ কাজ করে৷ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে৷ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে সরস্বতী পুজো পরম্পরা হয়ে আছে৷এখনই কিছু করা যাবে না৷ এই বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে দেখতে হবেআগামী দিনে এই বিষয়টি দেখা হবে৷ তবে পুরুলিয়ার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান হেমন্তকুমার রজক সাফ জানিয়েছেন যে,সরস্বতী পুজো বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলা হবে না৷ সরকারি নির্দেশ মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে অনুষ্ঠান হয়৷ এই নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্ট্যোপাধ্যায়ের কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!