এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > আদিবাসী সমাজকে পাশে পেতে পঞ্চায়েতে অভিনব প্রচার উদ্যোগ শাসকদলের

আদিবাসী সমাজকে পাশে পেতে পঞ্চায়েতে অভিনব প্রচার উদ্যোগ শাসকদলের

আদালতের রায় এর উপর পঞ্চায়েত ভোটের ভাগ্য নির্ভর করলেও ভোটপ্রচারে অভিনব উদ্যোগ দেখা গেলো বাঁকুড়া জেলার তৃণমূল কর্মীদের ভিতর।স্থানীয় আদিবাসীদের মন পেতে সাঁওতালি ভাষা অলকিচিতে দেওয়াল লিখন এর কাজ শুরু করল তাঁরা।জেলার সারেঙ্গা ব্লক এলাকার আদিবাসী প্রধান ডাকাই গ্রামসহ সারেসকোল,জামবনী,নেতুরপুর,বেলাঠিকরী ইত্যাদি গ্রামে দেখা গেল এরকম দেওয়াল লিখনের নমুনা।এ সমস্ত গ্রামে শাসকদলের কর্মী তথা সমর্থকরা তাঁদের অনভ্যস্ত তুলির আঁচড়ে ঘাস ফুল প্রতীকের সঙ্গে অলকিচিতে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁদের প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার আবেদন করছেন।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এভাবে সরাসরি সাঁওতাল ভাষায় দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে ভোটের প্রচার লাভজনক হবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল এর একাংশ।কারণ বর্তমান প্রচার মাধ্যম যতোই শক্তিশালী হোক না কেন,দেওয়াললিখন বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ভোটের প্রচারে।আর সেই দেওয়াললিখন যদি আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় অলকিচি হরফে করা যায় এটা বোঝানো সম্ভব হবে যে তৃণমূল কংগ্রেস আদিবাসী সমাজের পাশে আছে।
গত ২০১৬ সালে বিধানসভার ভোটে বাঁকুড়ারই রাণীবাঁধ কেন্দ্র থেকে দাঁড়ানো তৃণমূল প্রার্থী জ্যোৎস্নার মান্ডির প্রচারের সময়ও অলকিচিতে দেওয়াল লিখন করেছিলো তৃণমূলকর্মীরা।তাতে ব্যাপক সাফল্য এসেছিলো।হাত খুলে ভোট দিয়েছিলো আদিবাসী সমাজ।রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা সিপিএম নেত্রী দেবলীনা হেমব্রমকে হারিয়ে দিয়েছিলেন তিনি বয়সে তরুন হয়েও।সেই সাফল্য থেকে শিক্ষা দিয়ে এবার বাজিমাত করতে চাইছেন শাসকদল অলকিচি হরফে দেওয়াললিখন করে,এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
তৃণমূল সরকারের আমলে আদিবাসীদের অনেক উন্নতি হয়েছে আর আগামীতেও হবে।আর সেই বার্তায় নিজেদের ভাষার প্রচার করলে সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।আদিবাসী সমাজের কাছে দলের বার্তা সহজে পৌঁছে দেওয়া যায়।এমনটাই জানালেন দেওয়াল লিখনের ফাঁকে ফাঁকে এলাকার তৃণমূল কর্মী রসমনি মুর্ম্মু,শ্যামল টুডুরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!