এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > শাসকের পঞ্চায়েতি সন্ত্রাসের ছবি তোলায় প্রায় উলঙ্গ করে মানসিক নির্যাতন সাংবাদিককে

শাসকের পঞ্চায়েতি সন্ত্রাসের ছবি তোলায় প্রায় উলঙ্গ করে মানসিক নির্যাতন সাংবাদিককে

দুর্গাপুর,নলহাটি,মহম্মদবাজার,রঘুনাথগঞ্জ,কোচবিহারসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সন্ত্রাসের ছবি স্পষ্ট চিত্র সাংবাদিকদের মারধোর এর অভিযোগে।প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই উঠবে গণতন্ত্র নিয়ে, বাক্ স্বাধীনতার অধিকার নিয়ে।প্রশাসনের ভূমিকা কোথায়?? কী দায়িত্ব পালন করছে তারা? নবান্ন কর্তাদের প্রশ্ন করা হলে তারা এড়িয়ে যাচ্ছেন বিষয়টা এটা বলে তাদের নাকি জানানোই হয় নি,তারা নাকি খোঁজ নিয়ে দেখছে।বেশি মন্তব্য করলেনই না রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতির প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন।ওদিকে সূ্ত্রের খবর,জেলায় জেলায় খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে মারধোর খাচ্ছে ক্যামেরাম্যান সহ সাংবাদিকরা।তাদের থেকে ক্যামারা কেড়ে নিয়ে ভেঙ্গে দেওয়া হচ্ছে,তাদের উপর হামলা করা হচ্ছে, কিন্তু সোমবার যা হয়েছে তা অমানবিকতার চরম নিদর্শন।আলিপুর ট্রেজারি বিল্ডিং এ কোলকাতা পুলিশের সামনে থেকে এক চিত্র সাংবাদিককে তুলে নিয়ে গিয়ে উলঙ্গ করে নির্যাতন চালানো হলো।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসাধধীন  মানসিক বিপর্যস্ত ওই চিত্র সাংবাদিক মিডিয়াকে জানিয়েছেন যে ক্যামেরা তুলতেই নাকি তেড়ে এলো কিছু লোক,কীল চড় ঘুষি তো ছিলোই,তার সঙ্গে তল্লাশির নামে উলঙ্গ করে দুঘন্টা দাঁড় করিয়ে রাখা হল।ফেসবুকে এই ছবি আপলোড করে দেওয়া হবে বলে হুমকিও দেওয়া হল।অন্য চিত্র সাংবাদিকরা ওই ঘরে চলে আসায় সেদিন তিনি রক্ষা পান।মনোনয়নপর্বে রাজনৈতিক নেতাদের উপর হামলা করার ছবি চিত্র সাংবাদিকরা তোলায় তারা সমস্যায় পড়েছেন বলে অভিযোগ।পূর্ব মেদিনীপুর এর এক চিত্র সাংবাদিক জানান যে হকিস্টক দিয়ে পেটানোর ছবি তোলায় তাকে তাড়া করলে এক দোকানে লুকিয়ে রক্ষা পান তিনি।কিন্তু পরে সেখান থেকে বের করে চড়থাপ্পড় মারা হয়,ক্যামেরা কার্ড সব কেড়ে নিয়ে মেমারি সাফ করে দেওয়া হয়।পরে রিকভারি সফটওয়্যার দিয়ে কিছু ছবি উদ্ধার করে পরের দিন কাগজে দেওয়া হলে চিত্র সাংবাদিকের বাড়িতে চড়াও হয়ে শাসানি দেওয়া হয়।

উক্ত পরিস্থিতির সাপেক্ষে শাসকদলের বিতর্কিত নেতা অনুব্রত মন্ডল(কেষ্ট) বলেছেন,রাস্তায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে উন্নয়ন।চিত্র সাংবাদিকেরা সেই উন্নয়নের হাতেই বলি হচ্ছে।স্বাভাবিক প্রশ্ন উঠবে প্রশাসনের দায়িত্ব নিয়ে।পুলিশের সামনেই যে দেশে সাংবাদিকরা অত্যাচারিত  হচ্ছে, সে দেশে ‘বাক্ স্বাধীনতা’,’গণতন্ত্র’, ‘মানুষের নৈতিক অধিকার’ এই শব্দ গুলোর পর বিষ্ময়বোধক চিহ্ন (!) পড়ে বইকি!

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!