এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শাসকদল জিতলেও, সংগঠনের অঙ্কে চমকে দিল বিজেপি

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শাসকদল জিতলেও, সংগঠনের অঙ্কে চমকে দিল বিজেপি

দলীয় সংগঠনের কার্যকলাপে পঞ্চায়েত নির্বাচনে নিরিখে মোটামুটি খুশি বিজেপি। রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব মনে করছে এবার পঞ্চায়েত নির্বাচন তাঁদের আগামী দিনের বিস্তারে বহুলাংশে সাহায্য করবে। অন্তত মনোনয়নপত্র পেশের পরিসংখ্যান দেখে বেশ সন্তুষ্ট বিজেপি শিবির। উল্লেখ্য ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের তুলনায় এবারে প্রায় তিন গুন বেশি মনোনয়ন পত্র বিজেপির পক্ষ থেকে জমা পড়েছে।২০১৩ সালে তারা মাত্র ১০ হাজার ৪৩০টি আসনে প্রার্থী দিতে পেরেছিল। সেই নিরিখে এবার প্রায় সাড়ে তিনগুণ আসনে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপি গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রার্থী দিয়েছিল ৮৭৫৯ আসনে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদে যথাক্রমে ১২৪১ ও ৪৩০ আসনে প্রার্থী দেয় বিজেপি। আর ২০১৮-তে বিজেপি গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রার্থী দিয়েছে ২৮ হাজার ৬৯৬ আসনে। পঞ্চায়েত সমিতিতে ৬২৫১ ও জেলা পরিষদে ৮৩২ আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্টতই ধারণা করা যায় ২০১৯ ও ২০২১ সালে বিজেপি দল রাজ্যের বর্তমান শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের চরম প্রতিপক্ষ হয়ে উঠবে। এই পরিস্থিতি পঞ্চায়েতের দায়িত্বে থাকা বিজেপি নেতা মুকুল রায় বললেন, “বিজেপির সংগঠন হু-হু করে বাড়ছে। তৃণমূল এখন ক্ষমতার দম্ভে তাদের দমিয়ে রাখতে চাইলেও, ভিতরে ভিতরে ফোঁপরা হয়ে যাচ্ছে। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচন গায়ের জোরে জিতে নিলেও আগামী সাধারণ নির্বাচনে হাড়ে হাড়ে টের পাবে কত ধান কত চাল। পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের সন্ত্রাসই প্রমাণ করে দিয়েছে বিদায় ঘণ্টা বেজে গিয়েছে তৃণমূলের।”

Top
error: Content is protected !!