এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পঞ্চায়েত ভোটেই কি দলে বিদ্রোহের আশঙ্কায় কাঁপছে শাসকদল,জল্পনা শীর্ষ নেতৃত্বের বক্তব্যে

পঞ্চায়েত ভোটেই কি দলে বিদ্রোহের আশঙ্কায় কাঁপছে শাসকদল,জল্পনা শীর্ষ নেতৃত্বের বক্তব্যে

আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নেত্রীর নির্দেশই শেষ কথা। যোগ্যতার উপর ভিত্তি করে প্রার্থী বাছাই করা হবে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি পুরোনোদেরকেও দলে নতুন করে ফেরানো ও পঞ্চায়েত প্রার্থী করার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে তাও স্পষ্ট করেছেন তিনি।এছাড়া কোনো ভাবেই যেন দলের নেতা নেত্রীদের পছন্দের মানুষকে যোগ্যতা না থাকা স্বত্তেও প্রার্থী করা না হয় সেবিষয়েও করা ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।কিন্তু এতে তৃণমূলের অন্দরেই জল্পনা উঠেছিল যে এর ফলে দলে বিদ্রোহ দেখতে পারে অনেকে। তাছাড়া দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাড়তে পারে। এদিন এই সেই আশঙ্কার কথাই শোনা গেলো তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী-র গলায়।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এক সম্মেলনে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,পঞ্চায়েত ভোটে ‘বিদ্রোহ’ দেখালে পরিণতি ভাল হবে না। এই প্রসঙ্গেই তিনি আরো বলেন, ”চাটুকারিতা করে কিছুই মিলবে না।” একক ভাবে কোনও নেতার আধিপত্য যে দল মেনে নেবে না, তা বোঝাতে তিনি বলেন, ”দলে অনেকের খিদে মিটছে না। তাঁদের শুধু পদ চাই। তাঁরা মনে করছেন দলের তাঁকে দরকার কিন্তু তাঁর দলকে দরকার নেই। এই সব নেতাকে দলের প্রয়োজন নেই।”দলের আসল লক্ষ্য যে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা তও এদিন বুঝিয়ে দেন সুব্রতবাবু।তিনি এ দিন বলেন, ”এই পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল যাতে সব আসন জেতে, সে দিকে নজর দিতে হবে।”
অবশ্য এই নিয়ে শুধু সুব্রতবাবু এক নন ,বিদ্রোহের আশঙ্কা করছে আরো অনেক হেভিওয়েট নেতারাও ,এদিন রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ”সবক’টা গ্রাম পঞ্চায়েতই আমরা এ বার জিতিয়ে আনব।” পাশাপাশি জেলা সভাপতি তপন দাশগুপ্তও বলেন, ”শুধু সিঙ্গুর কেন, জেলার কোনও অংশেই বিবাদ বরদাস্ত করবে না দল।”ফলে সামনের পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে যে একটা বড় রকমের অশান্তি ঘটতে পারে তাঁর আঁচ পেয়েছেন তৃণমূলের নেতৃত্বও। এখন দেখার সেই অশান্তি থামিয়ে কিভাবে সুষ্ঠভাবে পঞ্চায়েত ভোট করে শাসকদল।

Top
error: Content is protected !!