এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নির্দল প্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিলো তৃণমূল

নির্দল প্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিলো তৃণমূল

“দলের টিকিট না পেয়ে যাঁরা নির্দল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, তাঁরা জিতলেও আর তাঁদের তৃণমূলে ফেরত নেওয়া হবে না।” এমনটাই জানালেন এদিন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় রাজ্যের নির্দল প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে। এই মন্তব্যকে ঘিরেই প্রশ্ন ওঠ যে তাহলে বোর্ড গঠনে সমস্যা তৈরি হলে কী এদের সাহায্য নেওয়া হবে কিনা। সেক্ষেত্রেও পার্থবাবুর সাফ কথা, “বোর্ড গঠন হবে না। ওই অবস্থাতেই পড়ে থাকবে। এ নিয়ে আমরা কোনওভাবেই সিদ্ধান্ত বদল করব না। তাঁদের দলেও ফেরানো হবে না।” সোমবার ভোট প্রক্রিয়া মিটে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর এই নির্দেশই প্রকাশ্যে আনলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু নির্দল প্রার্থীদের ভবিষ্যত নিয়ে কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল রাজ্যসরকার? এ প্রশ্নের উত্তর জানতে আসুন চোখ রাখি মূল খবরে।

জানা গেছে, সমগ্র রাজ্য জুড়েই নির্দলরা বিরোধীগোষ্ঠীদের মদতপুষ্ট হয়ে চড়াও হয়েছে শাসকদলের উপর। এমনটাই তৃণমূলের তরফের দাবী। শাসকদলের হেভিওয়েট নেতারা এটা কিছুতেই বরদাস্ত করেননি। শীর্ষ নেতাদের আন্দাজ ভোটে জিতলে নির্দল প্রার্থী ছক কষে দলে ফিরতে চাইবে। তাই তাঁদের আটকাতেই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে তৃণমূল। আরো জানা গেছে যে পঞ্চায়েতের বিগত বোর্ডের মেয়াদ আগস্ট অব্দি। তৃণমূল যদি বেশীরভাগ এলাকায় জয়ী হয় আর তারপরও যদি নির্দলদের জন্য নতুন বোর্ড গঠন করা না হয় তাহলে অশান্তি তৈরি করতে পারে তাঁরা। যদিও এ এখন চিন্তার বিষয় নয় তৃণমূলের।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এদিন পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার রাজনীতি চালানোর অভিযোগ বিজেপি ও সিপএমের ঘাড়ে চাপিয়ে তৃণমূল মহাসচিব বললেন যে বিজেপি নাকি পড়শি রাজ্য অসম-ঝাড়খন্ড এমনকি বাংলাদেশ থেকেও বহিরাগত দুষ্কৃতী ভাড়া করে এনে সন্ত্রাস ছড়িয়েছে। শুধু তাই নয় অভিযোগ তুললেন সীমান্ত প্রদেশের বিএসএফের বিরুদ্ধেও ভোটারকে প্রভাবিত করার। এছাড়া কেন্দ্রীয় সরকারের দিকেও অভিযোগ তীর ছুঁড়লেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোটে নাক গলানোর। জানালেন, “প্রত্যক্ষভাবে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করছে। আমরা কমিশনে অভিযোগ জানিয়ে চিঠি দিয়েছি। আমরা জানি কাদের অঙ্গুলিহেলনে এমন সন্ত্রাস হয়েছে।” জানা গেছে একাধিক ঘটনার অভিযোগে বিরোধীদের বিদ্ধ করে ৫০টি নালিশের চিঠি পাঠিয়েছে তৃণমূল, কমিশনের কাছে। পার্থবাবুর জানান যে বিজেপির পাশাপাশি সন্ত্রাসে গতি আনতে তৎপর ছিল সিপিএম, কংগ্রেসও। কোনো আদর্শের উপর ভিত্তি করে নয়, ক্ষমতা দখলের জন্যই বিরোধীমহল জোটবদ্ধ হয়ে তৃণমূলকে কোণঠাসা করায় চেষ্টা করেছে। এদিন ভোটপর্বের সমাপ্তিতে রাজ্যের মানুষ সহ পড়শি রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনকেও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে তৃণমূলের মহসাচিব। বক্তব্যে জানিয়েছেন যে বিক্ষিপ্ত গন্ডগোলের ঘটনা ছাড়া মোটের উপর ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই কেটেছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!