এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > কে হবেন বিজেপি বিরোধী মহাজোটের প্রধানমন্ত্রী, এবার সেই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মমতা

কে হবেন বিজেপি বিরোধী মহাজোটের প্রধানমন্ত্রী, এবার সেই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মমতা

রাজ্য রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে এখন জাতীয় রাজনীতিতেও বিজেপি বনাম তৃণমূলের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসতে চলেছে। লোকসভা নির্বাচনের আগে যা রাজনৈতিক মহলের কাছে চর্চার চর্চিত বিষয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দেশের মসনদ থেকে বিজেপিকে সরাতে ইতিমধ্যেই বিরোধীদের তরফে মহাজোট তৈরি হলেও সেই মহাজোটের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঠিক কে হবেন তা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন করে সেই মহাজোটের সম্ভাবনাকে ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বিজেপি নেতারা।

শুধু কেন্দ্রের শাসক দলই নয় বিরোধী মহাজোটের অন্যান্য শরিকদের মধ্যেও এনিয়ে তৈরি হয়েছিল চরম বিভ্রান্তি। কিন্তু এবার সেই বিরোধী মহাজোটের তরফে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

গতকাল নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “শুধু আমি তো একা নই, অনেকগুলো রাজনৈতিক দলই একসঙ্গে কাজ করছে। তাই এই বিষয়ে সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কিন্তু এই প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নিয়ে ভাবার সময় এখনও আসেনি। দেখা যাক আগে সেই দিনটা আসুক। প্রতি মুহূর্তেই আমাদের চিন্তা-ভাবনা পরিবর্তন হচ্ছে।”

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বিভিন্ন সময়ে এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে চেয়ে বিরোধী মহাজোটের অনেক শরিকরাই নিজেদের প্রস্তাব পেশ করেছেন। এমনকি কদিন আগেই এমকে স্ট্যালিনের মত নেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী চেয়ে বিতর্ক বাড়িয়ে দিয়েছেন। আর এহেন একটা পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে বিরোধী মহাজোটের সম্ভাবনা যেতে ভেস্তে না যায় সেজন্য পরে ভেবে সকলে মিলে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে এদিন জল্পনাকে জিইয়ে রাখলেন তৃণমূল নেত্রী।

এদিকে প্রথম থেকেই বিরোধী মহাজোট তৈরি হলে একের এর বিরুদ্ধে এক প্রার্থী দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই এদিন উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে বহু জন সমাজবাদী পার্টির জোটের ঘটনাকেও সমর্থন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এটা ওদের কম্পালশন। এটা অ্যাপ্রিশিয়েট করার মত।”

কিন্তু যেখানে এই বিরোধী মহাজোটের তরফ থেকে বারবার ঐক্যের কথা বলা হচ্ছে সেখানে সমাজবাদী ও বহুজন সমাজবাদী পার্টির জোটে কেন নেই কংগ্রেস? এদিন সেই প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এটা রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা। কোথাও কোথাও কংগ্রেসকে একাই লড়তে হবে। আবার কোথাও আঞ্চলিক দলগুলো একা লড়বে। এটা তো ভালো ব্যাপার।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন কেন্দ্রের মসনদ থেকে বিজেপিকে সরানোই প্রধান চ্যালেঞ্জ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আর তাই তো কারো বিরুদ্ধে কোনরূপ বিরূপ কথা না বলে কৌশলী মন্তব্য করলেন তৃণমূল নেত্রী। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবারের লোকসভা নির্বাচনে বাংলাকেই যে পাখির চোখ করেছে বিজেপি তা কারোরই অজানা নয়। কিন্তু বিরোধী মহাজোটের অন্যতম উল্লেখযোগ্য শরিক তথা রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস যে বাংলায় বিজেপিকে দাগ কাটতেও দেবে না এদিন সেই ব্যাপারে আত্মপ্রত্যয়ের সুর শোনা গেল তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের গলায়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!