এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > ‘সহানুভূতিহীন’ কেন্দ্রীয় সরকারের ‘সূর্যাস্ত’ ঘটাতে আসরে প্রাক্তন কৃষকনেতা ও শরিক

‘সহানুভূতিহীন’ কেন্দ্রীয় সরকারের ‘সূর্যাস্ত’ ঘটাতে আসরে প্রাক্তন কৃষকনেতা ও শরিক

কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হলেন পশ্চিম মহারাষ্ট্রের ক্ষমতাসম্পন্ন কৃষক নেতা ও সাংসদ রাজু শেট্টি। ক্ষমতাশালী কৃষক নেতা সাংসদ রাজু শেট্টি একদা কোলাপুর অঞ্চলের বর্ধিষ্ণু চিনিকল মালিকদের বিরুদ্ধে আখচাষীদের একত্রিত করে অনেক আন্দোলন সংঘটিত করেছেন। এদিন রাজু শেট্টি বললেন ২০১৪ সালে নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রধানমন্ত্রী পদ গ্রহণের আগে নরেন্দ্র মোদী কৃষকদের উন্নতি সাধনের জন্যে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু সেগুলোর বাস্তবায়ন আজও সম্ভব হয়নি। রাজু শেট্টির দল স্বাভিমানী খেতকারী সংগঠন ( এস এস এস ) ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে এনডিএ তে যোগদান করে। এরপর নির্বাচনে জয়লাভ করার পর পূর্বের সমস্ত প্রতিশ্রুতি ভুলে গিয়ে মোদী সরকার নিজের ইচ্ছে মতন রাজ্যের উন্নয়ন পরিকল্পনায় মনোনিবেশ করে। এই কারণে অসন্তুষ্ট রাজু শেট্টি ২০১৭ সালের আগাষ্ট মাসে এনডিএ জোটের সদস্যপদ প্রত্যাহার করে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

বিজেপির এহেন আচরণে অত্যন্ত বিরক্ত রাজু শেট্টি এদিন সংবাদমাধ্যম কে বললেন, “মোদী সরকারের মতো এমন সহানুভূতিশীল সরকার তিনি নিজের রাজনৈতিক জীবনে দেখেননি! উদ্ধত এই বিজেপি সরকারের সূর্যাস্ত ঘটবে ২০১৯ সালে।” ক্ষুদ্ধ রাজু শেট্টি এদিন আরো বললেন ” শুধু সরকারই নয় , প্রধানমন্ত্রী নিজেও খুবই উদ্ধত। তাঁর হাবভাব দেখে মনে হয়, যেন বিজেপি সাম্রাজ্যে সূর্য অস্ত যায়না। কিন্তু উনি ভুলে গেছেন প্রকৃতির নিয়মে সূর্য যেমন উদিত হয়, তেমনি একসময় অস্ত যায়। ২০১৯ সালের ভোটের পর বিজেপি বুঝতে পারবে, ওরা বন্ধুহীন হয়ে গেছে। কেউ নেই ওদের ডাইনে-বাঁইয়ে।” উল্লেখ্য গত ১৯ শে মার্চ কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর সাথে বৈঠক করেন রাজু শেট্টি, সঙ্গে ছিলেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অশোক চবন। বৈঠক সমাপ্তির পর রাজু ঐদিন সাংবাদিকদের জানালেন, তাঁরা বৃহত্তর ভাবে কৃষক আন্দোলন রূপায়নের কথা চিন্তা করছেন। মহারাষ্ট্র সরকার কৃষক ঋণমুকুবের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রাথমিকভাবে গণবিক্ষোভের সম্ভবনা হ্রাস করলেও , কৃষির বিকাশের স্বার্থে দরকার কৃষিতে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার , ফসল মজুত রাখার জন্যে আধুনিক ব্যবস্থা সম্পন্ন হিমঘর, বেশি ফলনের কারণে চাহিদার তুলনায় বেশি শস্য উৎপন্ন হলে তার সংরক্ষণের জন্যে উপযুক্ত পরিকাঠামো সমৃদ্ধ গুদামঘর।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!