এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > শাসকদলকে বড় ধাক্কা দিয়ে গেরুয়া শিবিরে যাচ্ছেন রাজ্য-রাজনীতির অন্যতম চর্চিত মুখ

শাসকদলকে বড় ধাক্কা দিয়ে গেরুয়া শিবিরে যাচ্ছেন রাজ্য-রাজনীতির অন্যতম চর্চিত মুখ

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জোর ধাক্কা দিয়ে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের হাত ধরে গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে চলেছেন সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনের প্রথম ‘শহীদ’ তাপসী মালিকের বাবা তথা রাজ্য-রাজনীতিতে এই মুহূর্তে অন্যতম চর্চিত মুখ মনোরঞ্জন মালিক বলে জল্পনা। জল্পনা এও ছড়িয়েছে যে আজকেই গেরুয়া শিবিরে যোগ দেবার কথা ছিল তাঁর, কিন্তু আজ যেহেতু মহেশতলা উপনির্বাচনের প্রচারে কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র সাথে মুকুলবাবুকে যেতে হয়েছে এবং সভায় যোগ দিতে হয়েছে তাই আজ আর এই যোগদান হল না।  জল্পনার সূত্রপাত -এদিন এক সভায় মুকুলবাবু জানান , “কাল বা পরশু তাপসী মালিকের বাবাকে নিয়ে আসবো।”  যদিও এই নিয়ে মুখ খোলেননি তাপসী মালিকের বাবা।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

কিন্তু সূত্রের খবর যে কয়েকদিনের মধ্যেই তিনি মুকুলবাবুর হাত ধরে বিজেপিতে আসছেন। প্রসঙ্গত, সিঙ্গুর থেকে জেলা পরিষদের একটি আসনে তাপসী মালিকের বাবা মনোরঞ্জন মালিকের মনোনয়ন পত্র পেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক দলের দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছিলো। তৃণমূল কংগ্রেসের শাসকের আসনে বসার জন্য আন্দোলনের অন্যতম আঁতুরঘর হলো সিঙ্গুর, অভিযোগ উঠেছিল যে শাসকের আসনে বসে ঘাসফুল শিবির ব্রাত্য করে দিয়েছে দলে ‘শহীদের’ মর্যাদা পাওয়া তাপসী মালিকের পরিবারকে। শেষপর্যন্ত তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলীয় টিকিট না পেয়ে সিঙ্গুরের একটি জেলা পরিষদ আসন থেকে নির্দল হয়েই দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন সিঙ্গুরের ‘শহীদ’ তাপসী মালিকের বাবা মনোরঞ্জন মালিক, যদিও তিনি জিততে পারেননি। সেই সময় মনোনরঞ্জনবাবু সংবাদমাধ্যমকে জানান, স্থানীয় বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের ইচ্ছাতেই তিনি নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন, কিন্তু দল তাঁকে টিকিট না দিয়ে তাপসী মালিকের ‘খুনির’ পরিবারের সদস্যকে টিকিট দেয়। আর তার প্রতিবাদ জানাতেই তিনি দলীয় নির্দেশ অমান্য করে ‘নির্দল’ হিসাবে পঞ্চায়েতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তখনই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ তাঁকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান করেন, কিন্তু মনোরঞ্জনবাবু জানান, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরেই ভরসা রাখছেন, তাঁর নামেই মানুষের কাছে ভোট চাইবেন। মুখ্যমন্ত্রী এখানকার কথা জানেন না বলেই তাঁর তৃণমূলের টিকিট পাওয়া হয় নি। কিন্তু, তারপরে পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর কি এমন হয়ে গেল যে মনোরঞ্জনবাবু সরাসরি বিজেপিতে যোগদান করতে চলেছেন? উত্তর খুঁজতে ব্যস্ত রাজনৈতিক মহল। যদিও এই যোগদানের ব্যাপারে এখনো সরকারিভাবে মনোরঞ্জনবাবু বা বিজেপি – কোনো পক্ষ থেকেই সরকারিভাবে কিছু জানানো হয় নি, তাই যোগদান নিয়ে এখনো সামগ্রিকভাবে জল্পনাই চলছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!