এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > হাইকোর্টে ‘ঐতিহাসিক’ জয় পেয়েও অন্য আশঙ্কায় ‘ভীত’ বিরোধীরা

হাইকোর্টে ‘ঐতিহাসিক’ জয় পেয়েও অন্য আশঙ্কায় ‘ভীত’ বিরোধীরা

আদালতের নির্দেশে রাজ্য নির্বাচন কমিশন আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়নপত্র পেশের সময়সীমা বৃদ্ধি করেও তা প্রত্যাহার করে নেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলার রাজনৈতিক পরিবেশ। বিরোধী দল গুলি রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত বদলের ঘটনায় অসন্তুষ্ট হয়ে আদালতে মামলা রুজু করে। এরপরে একই বিষয়কে ভিত্তি করে দফায় দফায় মামলা দায়ের করা হয় আদালতে। অবশেষে এদিন আদালত নির্দেশ দিয়েছে নতুন করে এক দিন মনোনয়ন পেশের সময় দিতে হবে। আদালতের এই রায়ে বেশ আনন্দিত রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। উল্লেখ্য  রাজ্য নির্বাচন কমিশন ৯ ই এপ্রিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় বাড়িয়েও শাসক দল ও রাজ্য সরকারের চাপে সেই বিজ্ঞপ্তি ১০ই এপ্রিল প্রত্যাহার করে নেয়। এই বিষয়েই আদালতে মামলা করে বিরোধীপক্ষ।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এদিনের আদালতের রায়ে বিরোধীপক্ষের আনা অভিযোগই বৈধতা পেলো। এই বিষয়ে রাজ্যের বিরোধী দলের সদস্যরা তাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানালেন। পিডিএস নেতা সমীর পুততুণ্ড বললেন, ”এই রায় ঐতিহাসিক রায়।” একটি রাজনোইতিক সমীক্ষা রিপোর্টে পাওয়া তথ্য অনুযাই এখনও অবধি ২৭ শতাংশ আসন বিরোধীরা কোনো প্রার্থী মনোনীত করতে পারেনি। এখন স্বাভাবিকভাবে একটাই প্রশ্ন উঠে আসছে যে এক দিনে কী সেই বিরাট সংখ্যক আসনে প্রার্থী মনোনীত করতে পারবে রিরোধী দলগুলি। এ প্রসঙ্গে বিজেপির  রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ কিছুটা দ্বিধাগ্রস্তভাবে বললেন,”আমরা তৈরি রয়েছি। মনোনয়নের সব কাগজপত্র তৈরি।তবে সেগুলি জমা দেওয়ার পরিবেশ থাকবে তো?” প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বললেন, ”বিরোধীদের মনোনয়ন পেশ করার সুযোগ দেওয়া হবে তো? আবার তো সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি হবে। পুলিশ তো শাসক দলের দাসে পরিণত হয়েছে।” তাই রাজনৈতিক মহল সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র একটা অভিযোগের মামলার রায় বিরোধী পক্ষের দিকে গেলেও । এই রায় বাস্তবিক ক্ষেত্রে কতটা সফল হবে সে নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!