এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > আদালতে বিচারের মাঝেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া চালু রেখে অস্বস্তিতে নির্বাচন কমিশন

আদালতে বিচারের মাঝেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া চালু রেখে অস্বস্তিতে নির্বাচন কমিশন

হাইকোর্টে স্থগিতাদেশে রাজ্যের আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় সরকারী কর্মপ্রক্রিয়া আপাততঃ থেমে আছে। এই অবস্থায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে পুলিশকে কাজের নির্দেশ দিচ্ছে ,বিডিওর কাছ থেকেও রিপোর্টও চেয়ে পাঠানো হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ বিরোধী এইসব কাজে নজর রেখে চলছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিএম।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

জানা গেছে এই প্রসঙ্গে তাঁরা আদালতে জানাবেন। উল্লেখ্য আদালতের স্থগিতাদেশ চলাকালীন রাজ্যের বিভিন্ন অংশে বিচ্ছিন্ন ভাবে ঘটে চলা হিংসার ঘটনা রুখতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন জেলার পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ার পূর্বেই হিংসাস্থল গুলির অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু পুলিশ প্রশাসনই নয় রাজ্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের কপি জেলাশাসকদের কাছেও প্রেরিত হয়েছে। আদালতের স্থগিতাদেশকালে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের এহেন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজ্য রাজনীতির নানা মহলে বহু কৌতুহলের জন্ম দিচ্ছে। এতদিন যখন নানা রাজনৈতিক দল দফায় দফায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হওয়া সন্ত্রাসের পরিবেশের প্রতিকারের জন্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানিয়েছে তখন এই নির্দেশ দান করতে নির্বাচন কমিশনের এত সময় কেন লাগলো। এই প্রসঙ্গে সিপিএম নেতা রবীন দেব বললেন, “নির্বাচন কমিশনের সব কিছু দেরিতে টনক নড়ে। এই নির্দেশ যদি আগে দিত তা হলে এতো সন্ত্রাস ছড়াতো না। বিরোধীরা সুষ্ঠুভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারত।আদালত যখন মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়েছে তখন কমিশন কীভাবে পুলিশকে নির্দেশ দিচ্ছে বা বিডিওদের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠাচ্ছে বুঝতে পারছি না। এই বিষয়টা আমরা বিচারপতির নজরে আনব।”

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!