এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কমিশনারকে নরমে-গরমে চাপে রাখতে গিয়েই মুখ পুড়ল, দাবি নবান্নের একাংশের

কমিশনারকে নরমে-গরমে চাপে রাখতে গিয়েই মুখ পুড়ল, দাবি নবান্নের একাংশের

আদালতের নির্দেশে রাজ্য নির্বাচন কমিশন মনোনয়ন পেশের সময়সীমা এক দিন বাড়িয়ে দেওয়ায় অসন্তুষ্ট হয়েছিলো নবান্ন। এরপরে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার অমরেন্দ্রকুমার সিংহের বাড়ি গিয়ে রাজ্যের শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীরা দু’দফায় তাঁর সাথে এই বিষয়ে আবেদন নিবেদন করে এসেছেন এবং একইসাথে রাজ্য প্রশাসন কমিশনের সঙ্গে খারাপ ব্যাবস্থার করেছেন বলেও নাকি অভিযোগ উঠেছে।*আর এরফলেই নাকি নির্বাচন কমিশন মনোনয়ন জমা দেবার সময়সীমা বাড়ানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তা বাতিল করে *। রাজ্যের রাজনৈতিক অবস্থাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখে এইরকমই মনে করছেন নবান্নে কর্মরত রাজ্যের উচ্চপদস্থ কর্তাদের একাংশ। এদিন বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ১০ তারিখ সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত কত জন মনোনয়ন জমা দিতে পেরেছিলেন, কত জন মনোনয়ন জমা দিতে এসে ফিরে যান, তার সবিস্তার তথ্য কমিশনের সচিবের কাছে জানতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সচিব কোনো জবাব দিতে সমর্থ হননি। কলকাতার একটি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী,কমিশন সূত্রে তারা জেনেছে , মনোনয়নের সময়সীমা বাড়ানো মাত্র রাজ্য সরকার কমিশনের সঙ্গে একরকম লড়ায়ের ময়দানে নেমে পড়েন। জেলায় জেলায় নির্দেশ যায়, বিডিও অফিসগুলিতে কোনও পুলিশ পাঠানো হবে না। এদিকে পুলিশ না থাকায় বিডিও-রা মনোনয়ন নেননি।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এরমধ্যে আগের নির্দেশ প্রত্যাহার করে কমিশনের নতুন বিজ্ঞপ্তিও এসে যায়। কিন্তু মনোনয়ন দেওয়ার জন্য কত জন এসেছিলেন, সে ব্যাপারে কমিশনকে কিছুই জানায়নি সরকার। এই কারণে বিচারকের প্রশ্নের জবাবে সচিবকে কার্যত মুখ বন্ধ থাকতে হয়। সেই সংবাদমাধ্যমের দাবি ,এদিন প্রশাসনের এক উচ্চ পদস্থ কর্তা  জানিয়েছেন , ৯ তারিখ রাতে থেকে ১০ তারিখ সারা দিন রাজ্য প্রশাসনের লক্ষ্য ছিল, যেনতেন প্রকারে কমিশনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করানো। সেই লক্ষ্যে চাপ দিতে গিয়ে অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের দিকে তারা নজর দেয়নি। এছাড়াও নির্বাচন কমিশনের উপরে প্রশাসনের প্রভাব বিস্তারের বিষয়ে ঐ কর্তার বয়ান, ”এক সময় রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) অফিস ছিল মহাকরণে। রাজ্য সরকার যাতে তাঁর উপর প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সে জন্য কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন সিইও অফিস মহাকরণ থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। আর রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অফিস প্রশাসনিক চৌহদ্দির বাইরে থেকেও সচিবালয়ের শাখা অফিস হিসাবেই কাজ করেছে।” এত কিছুর পরেও অবশ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে দাবি করা হয়েছে, জেলা প্রশাসন যতটা গুরুত্ব দিয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ পালন করে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ক্ষেত্রে সেটা করে না। তাই ডিএম-এসপি’রা কমিশনের নির্দেশ না মেনে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশের অপেক্ষায় থাকেন।যদিও এই খবরের সত্যতা বা সূত্র সম্পর্কে ওই ওয়েব পোর্টালে কিছু লেখা নেই, প্রিয়বন্ধু বাংলার তরফেও এই খবরের সত্যতা যাচাই করে দেখা সম্ভব হয় নি। এই প্রবন্ধ সম্পূর্ণরূপে ওই পোর্টালে প্রকাশিত খবরের পরিপ্রেক্ষিতে করা, কোনোভাবেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয় বা কোনো ব্যক্তি বা দলের সম্মানহানির উদ্দেশ্যে রচিত নয়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!