এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পাহাড়ে আরো কোনঠাসা বিমল গুরুং, তবুও জারি লড়াইয়ের বার্তা

পাহাড়ে আরো কোনঠাসা বিমল গুরুং, তবুও জারি লড়াইয়ের বার্তা

রাজনৈতিক কর্মকান্ডের জন্যে আগে থেকেই সমালোচিত ছিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুং। অনৈতিক কাজকর্মের জেরে পাহাড়ে আগেই তাঁর গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। এখন তাঁর চারতলা বাড়িটিও হাতছাড়া হয়ে গেল। বিমল গুরুং এর তাকভর পাতলেবাসে এলাকার বাসভবনে এদিন পার্টি অফিস উদ্বোধন হলো। যদিও এর আগেই ঐ বাড়িতে পলিন সুব্বা নামে এক ব্যক্তির পরিবারকে পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছিল। এদিন মূলত পলিন সুব্বার উদ্যোগেই ওই বাড়ির একটি ঘরে মোর্চার দলীয় দপ্তর উদ্বোধন হলো।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

বিনয়পন্থী গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার তাকভর এলাকার সভাপতি নির্মল ছেত্রী ফিতে কেটে দপ্তরের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোর্চার কেন্দ্রীয় নেতা সতীশ পোখরেল, অলককান্থ মনিথুলুং-সহ অন্তত ১০০ জন দলীয় কর্মী-সমর্থক। বাড়ির সামনেই ব্যানার টাঙিয়ে মোর্চার দপ্তর বিষয়ে এলাকাবাসীকে অবহিত করা হয় । পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে যখন পাহাড় অশান্ত তখন বিভিন্ন সরকারি সম্পত্তির পাশাপাশি অনেকের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। সিংলার পনিল সুব্বার বাড়িও সেইসময় জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। বিমল গুরুংদের হিংসার প্রভাবে পলিন সর্বহারা হয়েছেন । সেই কারণেই কিছুদিন আগে পনিলের পরিবারকে গুরুংয়ের বাড়িতে পুনর্বাসন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পনিলই ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নিয়ে ওই বাড়ির একটি ঘরে পার্টি অফিস করার আবেদন করেন। এদিকে গোটা ঘটনায় একপ্রকার নিশ্চুপ বিমল গুরুং । তাঁর পক্ষ থেকে কোনো অডিও বার্তাও পাওয়া যায়নি। তবে এদিন সংবাদমাধ্যমকে পাঠানো এক বার্তায় বিমল গুরুং বলেছেন,’‌’অনেকে প্রচারের চেষ্টা করছে আমি রাজ্য সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করতে চাইছি। এই খবর সম্পূর্ণ ভুয়ো। এমন কোনও ইচ্ছে আমার নেই। আইনের জোরেই আমি পাহাড়ে ফিরে আসব।”‌ তবে বিনয় শিবিরের অনুমান, গুরুংয়ের বাড়িতেই যে পার্টি অফিস খোলা হয়েছে, এটা সম্ভবত তিনি জানেননা। উল্লেখ্য আন্দোলনের পর পাহাড় থেকে আত্মগোপন করেন গুরুং। পরিবারের লোকেরাও বাড়ি ফাঁকা করে অন্যত্র চলে যান। বেশ কয়েকবার গুরুংয়ের বাড়ির গেটের সামনে ছাগলের কাটা মুন্ডু ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যার নানা রকম ব্যাখ্যা শুনতে পাওয়া যায়। আপাতত এই বাড়িতে বসবাস করছেন পনিল সুব্বা। গুরুং – এর এই চারতলা বাড়িতে ছিড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নানা জিনিসকে নিজের বলে দাবি করেছেন পনিল সুব্বা। এখন সেখানে দলীয় কার্যালয় হয়ে যাওয়ায় গুরুং এর পক্ষে নিজ বাড়িতে প্রত্যাবর্তন বেজায় কঠিন হয়ে গেলো বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!