এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > পঞ্চায়েত না চলে যায় জমি ও জীবিকা বাঁচাও কমিটির হাতে, চিন্তায় ভাঙড়

পঞ্চায়েত না চলে যায় জমি ও জীবিকা বাঁচাও কমিটির হাতে, চিন্তায় ভাঙড়

সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন আর সে নির্বাচনকেই পাখির চোখ করে বিজেপি উঠেপড়ে লেগেছে। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির উত্থান একেবারেই দেখতে পাচ্ছেন না। তাঁর মতে সোশ্যাল মিডিয়া আর সংবাদমাধ্যম ছাড়া বিজেপি আর কোথাও নেই। তা যদি সত্যি বলেও মেনে নেওয়া হয় তবুও একটা ‘কিন্তু’ থেকে যাচ্ছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মনে। কারণ রোজই প্রায় তৃণমূল ছেড়ে কোথাও না কোথাও হাতে গেরুয়া পতাকা তুলে নিচ্ছেন দলীয় কর্মীরা। আর এই ভাঙ্গন প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে যেখানে শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দল অনেক বেশি।
রাজ্যজুড়ে এই ‘ট্রেন্ড’ মেনেই এবার ভাঙ্গরে গোষ্ঠী কোন্দল এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে ভাঙড়-২ ব্লকে এখন তৃণমূল কংগ্রেস তিনটি শিবিরে ভাগ হয়ে গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে গোষ্ঠীকোন্দল তত প্রকট হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। তৃণমূল কর্মীরদের কথায় এই তিনটি গোষ্ঠী হলো ভাঙড়-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আরাবুল ইসলাম শিবির, মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লা শিবির আর ব্লক সভাপতি ওহিদুল ইসলাম ও নান্নু হোসেনের শিবির। তিনটি গোষ্ঠীর মধ্যে এখন কে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে নিজের অনুগতদের টিকিট পাইয়ে দিতে পারেন তাই নিয়েই নিজেদের মধ্যে চলছে ঠান্ডা লড়াই। সভা করে একে অপরকে নাম না করে দুষছেন বলেও খবর। এমনকি কখনো আবার নিজেদের মধ্যে মারপিটের ঘটনাও সামনে আসছে। সূত্রের খবর এই গোষ্ঠীকোন্দলের খবর পৌঁছেছে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কানে, ফলে তিনি তাঁর ঘনিষ্ঠমহলে এ নিয়ে যথেষ্ট ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার থেকেও বড় কথা, জমি ও জীবিকা বাঁচাও কমিটি আগামী নির্বাচনে তাঁদের নিজেদের প্রার্থী দাঁড় করাতে চলেছে বলে জানা গেছে। ফলে ভাঙড় ক্রমশ চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে শাসকদলের। অবিলম্বে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না মিটলে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে বড় ধাক্কা দিতে পারে জমি ও জীবিকা বাঁচাও কমিটি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!