এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > ভাগাড় কাণ্ডে জড়িয়ে আছে প্রভাবশালীরা, আদালতে দাবি পুলিশের

ভাগাড় কাণ্ডে জড়িয়ে আছে প্রভাবশালীরা, আদালতে দাবি পুলিশের

ভাগাড় কাণ্ডে জড়িয়ে আছে প্রভাবশালীরা, আদালতে দাবি পুলিশের। রাজ্য জুড়ে চলছে ভাগাড়ের পচা মাংসের কারবার। এই কাণ্ডের সাথে যুক্ত ছয় জন পান্ডাকে এদিন আলিপুর আদালতের চতুর্থ অতিরিক্ত বিচারক সম্রাট রায়ের এজলাসে তোলা হয় বলে জানা গেছে। এই মামলার তদন্দকারী অফিসার অজয় রায় এদিন জানান, ”ধৃতেরা অধিকাংশই শহরতলির লোকজন। সেখানকার বিভিন্ন হিমঘরেও মৃত পশুর মাংস রাখা হত। তাই তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার। এই পাচার-চক্রে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিও রয়েছেন।” ধৃতদের পক্ষের আইনজীবি জানান, “পুলিশ মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। হিমঘরের গুদামে মাংস রাখা হয়েছিল। ওই মাংস ভাগাড়ের কি না, তা নিয়ে কোনও তথ্য পেশ করা হয়নি।”

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

ধৃতদের পাঁচদিন পুলিশের হেফাজতে থাকার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিকে নারকেলডাঙার হিমঘরের ম্যানেজার ফিরোজ হোসেনকে জেরা করার পর পুলিশ জানতে পারে ভাগাড়ে পচে যাওয়া বেশিরভাগ পশুরই জটিল রোগের কারণে মৃত্যু হয় যা খাবার ফলে শরীরে বিষক্রিয়া হতে পারে। ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার এক কর্তার কথায়, “প্রায় দশ বছর ধরে ধীরে ধীরে এই ব্যবসা জাল বিস্তার করেছে। যার প্রেক্ষিতে মাংস-কাণ্ডে তদন্তে নামার কথা ভাবছে সিআইডি-ও।” রাজ্য গোয়েন্দার এক করতে জানিয়েছেন, “মৃত পশুর মাংস পাচার-কাণ্ডে তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। প্রয়োজনে সিআইডি তদন্তভার নিতে পারে।” বিষয়টি নিয়ে এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হবে বলে জানা গেছে। তাদের আইনজীবী অরিন্দম দাস জানিয়েছেন, “মামলার আবেদনে বলা হবে, ভাগাড়-তদন্তে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গড়ে দিক আদালত। তৈরি করা হোক বিশেষ তদন্তকারী দলও। সেই দলে সংশ্লিষ্ট সব দফতরের প্রতিনিধিদের রাখা হোক।” এদিকে নিউটাউন এলাকায় সিল করা ফ্রিজার ভাঙার খবর পেয়ে পুলিশ তল্লাশি চালায় এবং ফ্রিজারটি বাজেয়াপ্ত করে। অন্যদিকে লেকটাউন এলাকায় পচা মুরগি সংরক্ষণের জন্য রাসটোনিক দ্রবণ মিশিয়ে তা ফ্রিজারে রাখা হতো বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে রাসায়নিক দ্রবণ মেশানোর কথা ধৃতরা অস্বীকার করেছে বলে জানা গেছে। আবার বারাসাতের চাঁপাডালি এলাকায় বারাসাত পুরসভা অভিযান চালিয়ে একটি রেস্তোরাঁর স্টোর রুমের ফ্রিজ থেকে পচা মাছ মাংস উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে। পুরপ্রধানের কথায়, ”পুরসভা ও পুলিশ এখন থেকে নিয়মিত রেস্তরাঁগুলির উপরে নজরদারি চালাবে। কাঁচা মাংস কেনার সময়ে প্রাপ্ত ক্যাশ মেমো রেস্তরাঁগুলিকে রেখে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

Top
error: Content is protected !!