এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > প্রশাসনের পাশাপাশি দলীয় স্তরেও বনধ রুখতে প্রস্তুত তৃণমূল, পাল্টা হুঙ্কার বিজেপিরও

প্রশাসনের পাশাপাশি দলীয় স্তরেও বনধ রুখতে প্রস্তুত তৃণমূল, পাল্টা হুঙ্কার বিজেপিরও

রাজ্যে ইসলামপুরের দুই ছাত্রের মৃত্যু নিয়ে এবার বনধের রাজনীতিতে হাটল বিজেপি। কিন্তু রাজ্যের ঘোষিত নীতি অনুযায়ী, কোনোমতেই সরকার এই বনধকে বরদাস্ত করবে না। তাই প্রশাসনিক ভাবে রাজ্যকে সচল রাখার পাশাপাশি দলীয় স্তরেও কিভাবে এই বনধের মোকাবিলা করা যায় তা নিয়ে গতকাল বিভিন্ন জেলার পর্যবেক্ষকদের সাথে একটি বৈঠক করে তৃনমূল শীর্ষনেতৃত্ব। আর এই বৈঠকের পরেই সাংবাদিক সম্মেলনে তৃনমূল মহাসচিব তথা শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “তৃনমূল কর্মীদের প্রতিটি ব্লক এবং ওয়ার্ডে বনধের বিরুদ্ধে এবং শান্তির পক্ষে মিছিল, সভা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

পাশাপাশি ইসলামপুরের ঘটনায় এদিন ফের আরএসএস এবং বিজেপিকে দায়ী করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যে অশান্তি তৈরির জন্য এই বনধ করছে বিজেপি। মানুষই এবার তা রুখে দেবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি বিগত দিনের মত এবারের বনধেও সরকারি কর্মীদের অফিসে আসা বাধ্যতামূলক করছে সরকার। কিন্তু এইভাবে বনধ করে তো রাজনীতি হয়! যে দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে তাঁদেরকে তো আর ফিরে পাওয়া যাবে না! তাহলে কেন এই বনধ?

এদিন এই প্রশ্নের উত্তরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমরা বনধের রাজনীতি সমর্থন না করলেও রাজ্যে যা পরিস্থিতি তাতে বনধ না ডেকে উপায় ছিল না।” পাশাপাশি এই ইসলামপুরের ঘটনায় সরকারের তরফে মন্ত্রীমহোদয়রা বিজেপি এবং এবিভিপিকে দায়ী করলেও এদিন সেই প্রসঙ্গে ঘটনায় যে এবিভিপির কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন তা স্বীকার করে নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “ছাত্রদের পাশে দাড়াতেই এবিভিপির কর্মীরা ওখানে গিয়েছিলেন। এটা কোনোও অন্যায় নয়।” এদিকে এই ঘটনায় যখন বিজেপি বনধ ডাকছে এবং শাসকদল তৃনমূল তাঁর বিরোধীতা করছে ঠিক তখনই তৃনমূল-বিজেপি সমঝোতার অভিযোগ তুলে বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “তৃনমূল এই ঘটনায় বিজেপি আর সঙ্ঘকে দায়ী করল! আর বিজেপি বনধ ডাকল। এদের মধ্যে সমঝোতা রয়েছে।” তবে তাঁরাও যে বিজেপির আগামী বুধবারের বনধকে সমর্থন করবে না সেই ব্যাপারে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বামেদের পরিষদীয় দলনেতা। কিন্তু বিজেপির এই বনধ প্রসঙ্গে কি প্রতিক্রিয়া কংগ্রেসের?

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

বনধে না জানিয়ে ইসলামপুরের দুই ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় এক প্রতিনিধিদলকে রাজ্যপালের কাছে নিয়ে গিয়ে বিচারবিভাগীয় তদন্তের আর্জি জানিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। এদিন তিনি রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, “হাজার হাজার মাইল দূরে বসে মুখ্যমন্ত্রী বুঝে গেলেন আরএসএস সব করেছে। তা হলে সিবিআই বা বিচারবীভাগীয় তদন্তে এত ভয় কিসের।” সব মিলিয়ে বিজেপির ডাকা আগামী 26 তারিখের বনধকে ব্যার্থ করতে শেষমুহুর্তের প্রস্তুতি চলছে তৃনমূলের অন্দরে।

 

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!