এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পঞ্চায়েত রায়ের পর অনুব্রত মন্ডলের প্রতিক্রিয়া ঘিরে ফের বিতর্ক

পঞ্চায়েত রায়ের পর অনুব্রত মন্ডলের প্রতিক্রিয়া ঘিরে ফের বিতর্ক

পঞ্চায়েত নির্বাচন পিছিয়ে গেলো ও কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে। এদিন বিচারপতি সুব্রত তালুকদার  নতুন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে মনোনয়েনর দিন বাড়াতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন।আদালতের রায় শুনে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা বিধায়ক অনুব্রত মন্ডল বললেন, ”আমি রেডি আছি।”  তবে এই প্রস্তুতি ঠিক কিসের সে বিষয়ে অবশ্য কোনো কথা তিনি বললেন না। উল্লেখ্য বীরভূম জেলায় মনোনয়ন পত্র পেশ করাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেছে। আর প্রতিক্ষেত্রেই শাসক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে বিরোধী দল গুলি।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

তাই এখন অনুব্রত বাবুর রেডী থাকার অর্থের হদিশ পেতে এখন রাজনৈতিক মহলে হৈ চৈ পরে গেছে। বিরোধীদের একাংশের দাবি  ”এই কথা বলে মনোনয়নের পরবর্তী পর্বে ফের সন্ত্রাসের হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন অনুব্রত মণ্ডল।” বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় বললেন, “আমরা আমাদের শক্তি দিয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়ার চেষ্টা করব। তবে তা সুনিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে। কারণ, শাসক দল যেভাবে উন্নয়নের টাকায় বোমা বারুদ, লাঠি, ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র কিনে দুষ্কৃতীদের মনোনয়ন কেন্দ্রে দাঁড় করিয়ে রাখছে। এই রায়ের পরও আমরা চিন্তিত।” অন্যদিকে কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি সৈয়দ সিরাজ জিম্মির প্রশ্ন, “আমরা প্রস্তুত আছি। কিন্তু দুষ্কৃতীদের হটিয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য প্রশাসন কি বিরোধীদের জন্য গ্রিন করিডর তৈরি করে দেবে? না আগের মতো শাসক দলের গুন্ডাদের সঙ্গে নিয়ে বিরোধীদের আটকে দেবেন, এখন সেটাই দেখার।” এই প্রসঙ্গে  সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং বীরভূম জেলার সন্ত্রাসে সম্প্রতি আহত রামচন্দ্র ডোম চাইছেন, “যে কারণে মনোনয়ন জমা বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল, সেইগুলো দূর করতে হবে। প্রশাসনকে সর্বতোভাবে সেই নিরাপত্তা দেওয়ার বিধান করতে হবে। প্রত্যেক প্রার্থী যাতে মনোনয়ন জমা দিতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।”

 

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!