এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পঞ্চায়েতের আইনি জটের মাঝেই মুখ খুললেন প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার মীরা পান্ডে

পঞ্চায়েতের আইনি জটের মাঝেই মুখ খুললেন প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার মীরা পান্ডে



বিরোধী শিবিরের করা একাধিক মামলার জেরে রাজ্যের আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভূত – ভবিষ্যত একাকার। এমত অবস্থায় সংবাদমাধ্যমের কাছে প্রকাশ্যে বিবৃতি দিলেন প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার মীরা পাণ্ডে। এদিন তিনি কার্যত দাবি করলেন বেশি নিরাপত্তারক্ষী থাকলে সংঘর্ষ এড়ানো যেত। পাশাপাশি পঞ্চায়েত আইনের সংশোধন জরুরী বলেও তিনি মনে করেন। আগামী ১৪ ই মে নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ স্থির হলেও ওখনও যে সেটা চুড়ান্ত নয় সেই বিষয়কে তিনি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক জানালেন। উল্লেখ্য ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি কমিশনার পদের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে আদালতে গিয়েছিল কমিশন এবং বিরোধীরা। ২০১৩-তে পাঁচ দফায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরিচালনার নেপথ্যে ছিলেন মীরা পান্ডে। এই বছরের নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি নিজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বললেন ,”অশান্তি হোক এটা কখনই কাম্য নয়। কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করলে এই ঘটনা এড়ানো যেত। এই ব্যাপারে কমিশনের পাশাপাশি রাজ্য সরকারকেও উদ্যোগ নিতে হবে। দুজনের আলোচনাতেই সিদ্ধান্তে আসা যাবে।”

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এদিন তিনি গত পঞ্চায়েত নির্বাচন পাঁচ দফায় সম্পন্ন করতে প্রায় দুলক্ষ নিরাপত্তারক্ষী লেগেছিল বলে মন্তব্য করলেন। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন একদফায় আয়োজন করার প্রসঙ্গে তিনি নিজের বিবৃতিতে বললেন, “পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বাহিনী পাওয়া গেলে এক দফাতেই ভোট করানো যায়। একদফায় নির্বাচন করাতে গেলে আর নিরাপত্তারক্ষী ছাড়াও অন্য অনেক ধরনের লোকবলের প্রয়োজন পড়ে । আর তা কম থাকলে চার থেকে পাঁচ দফায় নির্বাচন করানো যেতেই পারে।” বিগত বছরের সাথে এই বছরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জয়লাভের পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি বললেন, ২০১৩ সালে এই অঙ্কটা ছিলো ১১ শতাংশ কিন্তু এই বছরে সেটা বৃদ্ধি পেয়ে ৩৪ শতাংশ হয়েছে। এই হিসেবের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বললেন, “শতাংশের নিরিখে অনেকটাই বেশি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতের সংখ্যা। গণতন্ত্রে বিরোধী থাকবে এটাই কাম্য। ” সারা রাজ্যে এক দফায় পঞ্চায়েত ভোট করা নিয়ে মীরা পাণ্ডে বললেন, “কমিশনকেই দেখতে হবে, কোথায় কিসের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বুথের নিরাপত্তা ছাড়াও, ব্যালট পেপার পাহারা, ব্যালট বাক্স রাখার জায়গায় পাহারা, থানা, এসপি-র অফিসে বাড়তি বাহিনী রাখার প্রয়োজন পড়ে। সব হিসেব মাথায় রেখেই বাহিনীর সংখ্যা কমিশনকেই নির্ধারণ করতে হবে।”

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!