এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > রাজ্য সরকারের সজলধারা প্রকল্পে ২০ কোটি টাকার দুর্নীতি, বাজেয়াপ্ত নথি, তদন্তে সিআইডি

রাজ্য সরকারের সজলধারা প্রকল্পে ২০ কোটি টাকার দুর্নীতি, বাজেয়াপ্ত নথি, তদন্তে সিআইডি

রাজ্য সরকারের সজলধারা প্রকল্পে ২০ কোটি টাকার দুর্নীতি, বাজেয়াপ্ত নথি, তদন্তে সিআইডি। দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূল ও বামদল একে অপরকে দুষছে। যে সময় এই দুর্নীতি ঘটে সেই সময় বর্ডার ক্ষমতায় ছিল বামফ্রন্ট এবং মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি ছিলেন পাসকেল মিনজ। মহকুমা পরিষদ সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গেছে, ২০১০-‘১৩ পর্যন্ত সজলধারা প্রকল্পে ২০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। দুর্নীতি ঘটেছে ফাঁসিদেওয়া ব্লকের চা বাগান অধ্যুষিত এলাকায় পানীয় জল সরবরাহের ক্ষেত্রে। বিষয়টি নিয়ে ফাঁসিদেওয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মহকুমা পরিষদের একজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সুপ্রিয় মন্ডল। এরপরই তদন্ত শুরু করে সিআইডি এবং এই সংক্রান্ত যাবতীয় নথি বাজেয়াপ্ত করে। মহকুমা পরিষদের আধিকারিকদের কথায়, “ওই সময় প্রকল্পের কাজে ভুয়ো ইউটিলাইজ়েশন সার্টিফিকেট জমা দিয়ে টাকা তুলে নেওয়া হয়। কিন্তু এলাকায় গিয়ে দেখা যায় অধিকাংশ কাজই হয়নি। কখনও জলের ট্যাঙ্ক বসানোর নামে আবার কখনও জলের পাইপলাইন তৈরির নামে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সেসব হয়নি।” এবিষয়ে সুপ্রিয়বাবু মন্তব্য করেন, “এই প্রকল্প রূপায়ণের দায়িত্বে ছিল রাজগঞ্জের একটি সংস্থা।” এই প্রকল্পের দায়িত্বে এক এনজিও সংস্থা ছিল বলে জানিয়েছে মহকুমা পরিষদ।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এদিন শিলিগুড়িতে মেয়র অশোক ভট্টাচার্য জিটিএর দুর্নীতির অভিযোগ জানালে তার পাল্টা উত্তরে বামদলকে ব্যঙ্গ করে মন্ত্রী গৌতম দেব বলেন, “GTA নয়, তাঁরা হয়তো নিজেদের ক্ষমতায় থাকা মহকুমা পরিষদে দুর্নীতির কথাই বলতে চেয়েছেন।” বর্তমান সভাধিপতি তাপস সরকারের কথায়, “ওই সময় বামেরা ক্ষমতায় থাকলেও প্রকল্প রূপায়ণের সঙ্গে বোর্ডের কোনও সম্পর্ক ছিল না। বেনিয়ম হচ্ছে বুঝেই ২০১৪ সালে এই প্রকল্প নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। ফলে বামেরা দুর্নীতিগ্রস্ত তা বলা যায় না। কিন্তু ইউটিলাইজ়েশন সার্টিফিকেটের বিনিময়ে কাজ না যাচাই করে কারা টাকা রিলিজ করলেন তা খতিয়ে দেখা হোক। তাছাড়া, সেইসময় সভাধিপতি তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ তৃণমূলের হাতে ছিল। তাহলে তখন কেন অভিযোগ করা হয়নি? আসলে ভোটের মুখে বামেদের কাদা ছেটাতে ইচ্ছাকৃতভাবে এখন এসব বলা হচ্ছে। দুর্নীতি হলে ব্যবস্থা নিন। কারা জড়িত ছিলেন, কারা টাকা রিলিজ করলেন সেসব দেখা হোক।” এবিষয়ে সিআইডির স্পেশাল সুপার অজয় প্রসাদ বলেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে। আমরা নথিপত্র খতিয়ে দেখার কাজ শুরু করেছি।” তবে অভিযোগকারী সুপ্রিয় মন্ডল এবিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!