এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > দিল্লির বাবুদের পা ধরে কেউ বাঁচতে পারবেন না, পুলিশ কান ধরে টেনে এনে শ্রীঘরে ঢোকাবে: অভিষেক ব্যানার্জি

দিল্লির বাবুদের পা ধরে কেউ বাঁচতে পারবেন না, পুলিশ কান ধরে টেনে এনে শ্রীঘরে ঢোকাবে: অভিষেক ব্যানার্জি

রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করার দুদিন বাদেও এলাকা থমথমে। গতকাল, সত্যজিৎবাবুর পরিবারের সঙ্গে এসে দেখা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, নিহত বিধায়কের স্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর আজ, নিহত বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান তৃণমূল কংগ্রেসের বর্তমান অঘোষিত দুনম্বর নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূল কংগ্রেসের ‘যুবরাজ’ নিহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কার্যত একের পর এক বোমা ফাটালেন। এই ঘটনায় প্রথম থেকেই তৃণমূল নেতৃত্বের নিশানায় ছিল বিজেপি, বিশেষ করে বিজেপি নেতা মুকুল রায়। এদিন অবশ্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কারোর নাম মুখে নেন নি, কিন্তু তাঁর দাগ একের পর এক তোপের নিশানা মুকুল রায় বলেই ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আজ কৃষ্ণগঞ্জে দাঁড়িয়ে বলেন, পুলিশ মন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় – ফলে কেউ অন্যায় করে পার পেয়ে যাবেন না। কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না, দিল্লিতে লুকিয়েও কেউ রক্ষা পাবে না।

হোয়াটস্যাপের কিছু টেকনিক্যাল অসুবিধার জন্য আমরা ধীরে ধীরে হোয়াটস্যাপ সাপোর্ট বন্ধ করে দিয়ে, পরবর্তীকালে শুধুমাত্র Telegram অ্যাপেই নিউজের লিঙ্ক শেয়ার করব

তাই আপনাদের কাছে একান্ত অনুরোধ – প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর নিয়মিত ভাবে পেতে হলে Telegram অ্যাপটি ইনস্টল করুনআমাদের Telegram গ্রূপে যোগ দিন। যাঁরা Telegram-এ নতুন, ভয় পাবেন না – এটি হোয়াটস্যাপের মতোই সমস্ত ফিচার যুক্ত এবং আরো আরো সহজে ব্যবহার করা যায়।

যোগ দিন আমাদের Telegram Group – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
আর এখনও যাঁরা আমাদের WhatsApp Group-এ যোগ দিতে চান, তাঁরা ক্লিক করুন এই লিঙ্কে (কিন্তু, মনে রাখবেন এই হোয়াটস্যাপ সাপোর্ট আমরা হয়ত খুব বেশিদিন আর চালু রাখব না)

এদিন, রীতিমত বিস্ফোরক মেজাজে ছিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি। তিনি বলেন, বিজেপি এই খুনের ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব হাজির করতে চাইছে, কিন্তু যাঁরা ধরা পড়ল তাঁরা কোন পার্টি করেন? আর এখানে যদি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থাকে তবে অপর গোষ্ঠীর নেতার নাম কী, প্রকাশ্যে জানাক বিজেপি। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি, এখানে কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই। আমি দুর্নীতি করব, আর দিল্লির বাবুদের পা ঝুলে বেঁচে যাব, আমি খুন করব আর দিল্লির নেতারা বাঁচাবেন – তা হবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ কান ধরে টেনে এনে শ্রীঘরে ঢোকাবে!

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানা থেকে এদিন বাদ যান নি বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও। তিনি বলেন, দিলীপবাবুরা ভাষণ দিচ্ছেন, অনাথ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। আমি প্রশ্ন করতে চাই, তাঁদের ভাষণের সঙ্গে এই কাজের মিল রয়েছে কি না? মানুষ, এর জবাব দেবে – চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছি, এই কেন্দ্রে ভোট আরও বাড়বে। তৃণমূল আরও সঙ্ঘবদ্ধ হবে। আমরা ঘরে ঘরে সত্যজিৎ বিশ্বাস তৈরি করব। রাস্তায় সবাই প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে। প্ল্যাকার্ডে লেখা অভিষেক পুণ্ডরীর শাস্তি চাই। তিনি কে? তিনি একজন আরএসএসের লোক। আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি, কোনও অপরাধী পার পাবেন না। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে যাচ্ছি, যারা ভাবছেন অপরাধ করকে দিল্লির নেতাদের হাত ধরে রক্ষা পাবেন, তাঁরা শুনে রাখুন, কেউ পার পাবেন না, প্রত্যেককে ঘাড় ধরে ডেনে এনে শ্রীঘরে ঢোকানো হবে।

Top
Close
error: Content is protected !!