এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > মস্তানি করলে তখন “অভিষেক” কত বড় মস্তান তা বুঝিয়ে দিতে বেশি সময় নেবে না: অভিষেক ব্যানার্জি

মস্তানি করলে তখন “অভিষেক” কত বড় মস্তান তা বুঝিয়ে দিতে বেশি সময় নেবে না: অভিষেক ব্যানার্জি

ষষ্ঠ দফার লোকসভা নির্বাচন শেষ করে ধীরে ধীরে সপ্তম তথা শেষ দফার নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে বাংলা। আর এই শেষ দফার নির্বাচনে নজরকাড়া কেন্দ্রের মধ্যে অন্যতম ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্র। যেখানে তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড যুব তৃনমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী হয়েছেন।

অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে পাল্টা এখানে নিজেদের রাজনৈতিক অস্ত্রে শান দিচ্ছে গেরুয়া শিবিরও। আর এমত একটা পরিস্থিতিতে এবার বিজেপির উদ্দেশ্যে কড়া ভাষায় হুশিয়ারি দিতে শোনা গেল সেই ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার মহেশতলা ও ঠাকুরপুকুর ব্লকের চারটি অঞ্চলকে নিয়ে চট্টা এলাকায় একটি জনসভা ছিল অভিষেক বাবুর। আর সেখানে উপস্থিত হয়ে রীতিমতো হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেন, “ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি যদি হিংসা ছড়িয়ে কোনো গোলমাল পাকায় এবং মাস্তানি করে তাহলে সেই ভাষাতেই তার জবাব দেওয়া হবে। যদি কেউ মস্তানি করে, তখন অভিষেক কত বড় মস্তান তা বুঝিয়ে দিতে বেশি সময় নেবে না। ভদ্রভাবে রাজনীতি করলে তৃণমূল কোনো সংঘাতে যাবে না।” এদিকে বুধবার এই ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী নীলাঞ্জন রায়ের সমর্থনে প্রচার করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

অনেকে বলছেন, বহু বছর আগে একবার রাজীব গান্ধী এই ডায়মন্ডহারবারে নির্বাচনী প্রচার এসেছিলেন। আর এবার সেই রাজীব গান্ধীর পর নরেন্দ্র মোদী দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে এই ডায়মন্ডহারবারে প্রচারে আসছেন। তবে এদিনের এই জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর এই বঙ্গ সফর নিয়েও কড়া ভাষায় সমালোচনা করতে দেখা যায় তৃণমূল যুবর সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীকে গত এক বছর আগেও এখানে আসতে দেখা যায়নি। এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাবেন বলে ঘনঘন আসছেন। কিন্তু এই প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেড় বছর আগে ডায়মন্ডহারবারের কেল্লা থেকে নদীর ধার ধরে সাজানোর জন্য জায়গা চাওয়া হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সহযোগিতা করেনি। আর এখন এই ডায়মন্ডহারবারে ভোট চাইতে আসছেন।”

পাশাপাশি এদিনের সভা থেকে ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী নীলাঞ্জন রায়কে বহিরাগত এবং নাবালিকার যৌন নির্যাতনে অভিযুক্ত বলেও কটাক্ষ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে গ্যাস, পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়েও কেন্দ্রকে বিধেন তৃণমূল যুবর সর্বভারতীয় সভাপতি।

আর এরপরই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ ও বিজেপি নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে তোপ দেগে ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “নোটবন্দির জেরে আমজনতার ক্ষতি হলেও বিজেপি নেতাদের পরিবারের শ্রীবৃদ্ধি হয়েছে। মা মাটি মানুষের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বাংলা আজ বিশ্বসেরা হয়ে উঠেছে। তাই প্রধানমন্ত্রী সহ বিজেপির যত নেতা আছে তারা ডায়মন্ডহারবার এসেও কিচ্ছু করতে পারবেন না। কারণ এখানে এবার তৃনমূলই জিতবে।”

সব মিলিয়ে এবার ডায়মন্ড হারবারের নির্বাচনী প্রচার থেকে বিজেপির উদ্দেশ্যে কড়া ভাষায় হুশিয়ারি দিতে শোনা গেল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

Top
error: Content is protected !!