এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > এবার সঙ্ঘ ও বিজেপিকে ‘ধর্মের পাঠ’ দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়!

এবার সঙ্ঘ ও বিজেপিকে ‘ধর্মের পাঠ’ দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়!

ধর্মকে কেন্দ্র করে বরাবরই বিজেপি আরএসএস তাদের রাজনীতি করেছে বলে বারেবারেই বিরোধীদের তরফে অভিযোগ উঠেছে। হিন্দু ধর্মকে পাথেয় করেই এই দুই সংগঠন ও দল এগিয়ে চলেছে বলেও দাবি উঠেছে। হিন্দুত্বের প্রচার করেই বিজেপি সারাদেশে লোকসভা ভোটে জয়লাভ করেছে। সারা দেশে যে হিন্দুত্বের দাবি উঠছে, তা কিন্তু প্রমাণ হয়ে গেল 2019 এর লোকসভা ভোটে।

পশ্চিমবঙ্গেও হিন্দুত্বের ওপর নির্ভর করেই 2019 এর লোকসভা ভোটে বিজেপির ভোট বিপুল হারে বেড়েছে। যদিও নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জুড়ি দাবি করেছিলেন – বাংলায় বিজেপির এই হিন্দুত্বের ‘তাস’ কাজ করবে না! কিন্তু, বাস্তবে দেখা যাচ্ছে বাংলায় বিজেপির পাল্টা ‘তোষন নীতির’ বিরুদ্ধে প্রচারই গেরুয়া শিবিরের পালে বড়রকমের হাওয়া তুলে দিয়েছে।

আর এবার এই হিন্দুত্বকেই কটাক্ষ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এ দিন আরএসএস ও বিজেপিকে লক্ষ্য করে তীব্র কটাক্ষ করে বললেন, “খালি হাফপ্যান্ট পরে মার্চ করলে ধর্ম হয় না।” লোকসভা ভোটের আগে থেকেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি হিন্দুত্ব নিয়ে প্রচার করে গেছে। এমনকি তৃণমূল ‘হিন্দু বিরোধী’র মত বিস্ফোরক অভিযোগও বিজেপির প্রচার পর্বে স্থান পেয়েছে। আর তাই বিজেপি ফলাও করে প্রচার করেছে, দুর্গাপূজার বিসর্জনের ‘বাধা’ দেওয়া থেকে শুরু করে, স্কুলে সরস্বতী পুজো করতে ‘না’ দেওয়ার বড়সড় অভিযোগ।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

এমনকি বিজেপি প্রচারে এই বলে ঝড় তুলেছিল যে, রাম নাম করলেও নাকি এই রাজ্যে জেলে পোড়া হয়! এমনকি বিজেপি নেতারা লোকসভা নির্বাচনের আগে এই বলে অপ্রচার করেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস নাকি পশ্চিমবঙ্গকে ‘পশ্চিম পাকিস্তান’ বা ‘পশ্চিম বাংলাদেশ’ তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে! আর বিজেপির এই সব নিয়মিত প্রচার যে বাংলার মানুষকে যথেষ্ট প্রভাবিত করেছিল তা লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলেই প্রমাণিত।

আর তাই রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন – বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে গেরুয়া শিবিরের এইসব প্রচার আরও চড়া মেজাজে হবে আগামী দিনে। আর এবার সঙ্ঘ ও বিজেপির এই হিন্দু বিশ্বাসের বিরুদ্ধেই এবার রবিবার ফলতায় বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান থেকে তীব্র কটাক্ষ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাজনীতির উর্ধ্বে উঠুন, দুর্গোৎসব আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব। যারা বড় বড় কথা বলছেন, তাদের বলি খালি হাফপ্যান্ট পড়ে মার্চ করলে ধর্ম হয় না। আমরা মানুষের দুঃখে সবসময় পাশে থাকি।”

অন্যদিকে, শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দুস্থান ক্লাবের পুজো উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন। আর সেখান থেকেই তিনি বলেন, “পুজোর সময় রাজনীতি করিনা। কুৎসা অপপ্রচার দিয়ে ষড়যন্ত্রের জাল বোনে যারা। আমার তাঁদের পছন্দ নয়। 365 দিন করো, আমায় গালি দাও। মায়ের মুখ দেখে একটু হাসতে ইচ্ছা করে না? সবাই যাতে মাকে ভালোবাসে সেটা ইচ্ছা করেনা। ধর্ম নিয়ে প্রচার করি না।”

তৃণমূল নেত্রী আরও বলেন, “মাকে যে ভালোবাসে সে বাইরে গিয়ে বলে না। বারবার অগ্নিপরীক্ষা দিয়ে প্রমাণ করতে হয়না। সীতার অগ্নিপরীক্ষা বারবার হয় না।” কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ‘হিন্দুত্বের পাঠ’ নিয়ে রীতিমত কটাক্ষ শুরু হয়ে গেছে গেরুয়া শিবিরের তরফে। গেরুয়া শিবিরের এক হেভিওয়েট যুবনেতা বক্তব্য, আমাদের বা সঙ্ঘের হাফপ্যান্ট নিয়ে ওনাদের ভাবতে হবে না! হাফপ্যান্টেই তো হাফ সাফ করে দিয়েছি! বিধানসভা নির্বাচনের পর তো ফুল সাফ হয়ে যাবে! দলটাই খুঁজে পাওয়া যাবে না!

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!