এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > অভিষেক ঘনিষ্ঠ হেভিওয়েট নেতাকে পদ থেকে অপসারণ, জোর চাঞ্চল্য রাজ্যে

অভিষেক ঘনিষ্ঠ হেভিওয়েট নেতাকে পদ থেকে অপসারণ, জোর চাঞ্চল্য রাজ্যে

পদ থেকে অপসারণ করা হলো অভিষেক ঘনিষ্ঠ তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা সৌমিক হোসনেকে। জানা যাচ্ছে যে, অনাস্থায় হাজির ২১ জনের মধ্যে তৃণমূলের ১৫ জন কাউন্সিলরই সৌমিক হোসনের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। এদিন অবশ্য সৌমিকবাবু উপস্থিত ছিলেন না।

প্রসঙ্গত, গত, ১ জুলাই সোমবার ডোমকল পুরসভার ১৩ তৃণমূল কাউন্সিলর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিলেন।এদিকে নিয়মমতো নোটিশের ১৫ দিনের মধ্যে সভা ডাকার কথা থাকলেও সৌমিক হোসেন তা করেন নি। ফলে এদিকে উপপ্রধান প্রবীর চাকি ৭ দিনের নোটিশে বৃহস্পতিবার সভা ডাকেন। আর এই সভাতেই সৌমিক হোসেনের বিরুদ্ধে ভোট দেন। তলব করা হলেও সেই সভায় অনুপস্থিত ছিলেন সৌমিক হোসেন। কি কারণে তিনি অনুপস্থিত ছিলেন সাথে আরো ৬ কাউন্সিলর অনুপস্থিত ছিলেন এদিন। এটা নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন উঠেছে। জল্পনা এমনটাও যে তবে কি তিনি জানতেন যে তাঁর বিরুদ্ধে ভোট দেবেন কাউন্সিলররা। যার জেরে তিনি আসেননি।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এখানে

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

সৌমিক হোসেন কংগ্রেসের এককালের দাপুটে নেতা ও সংসদ মান্নান হোসেনের ছেলে। মান্নান হোসেন মুর্শিদাবাদের তৎকালের দাপুটে নেতা ছিলেন ,কিন্তু অধীর চৌধুরীর সাথে ঝামেলার জেরে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন।

এদিকে ২০১৭ সালে ডোমকল পুরসভা গঠন হয়। সেই পুরসভার প্রথম চেয়ারম্যান হন সৌমিক হোসেন ফলে এদিক থেকেও বলা যায় বড়সড় পদ পেয়েছিলেন সৌমিকবাবু। আর তাছাড়া তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠও ছিলেন। তবুও কেন পদ থেকে অপসারণ করা হলো তাঁকে ?এই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।

এদিকে সৌমিকবাবুর বিরোধীদের দাবি সৌমিকবাবু স্বৈরাচারী মনোভাব পোষণ করেন। কাউকে মানেন না, কারুর কথাকে গুরুত্ত্ব দেন না ফলে সাধারণ মানুষ পরিষেবা পাচ্ছিলেন না। যার প্রভাব পড়ছিলো দলে।
পাশাপাশি তাদের দাবি দুর্নীতিতে যুক্ত রয়েছেন সৌমিকবাবু । যদিও এই সম্পর্কে সৌমিক হোসেনের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।

তবে অভিষেক ঘনিষ্ঠ পুরোপ্রধানকে এই ভাবে পদ থেকে অপসারণের ঘটনা নয়া মোর বলেই দাবি তুলছেন রাজনৈতিকমহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!