এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > ‘যুবরাজকে আমরা মহারাজ হতে দেব না। তাকে যুবরাজই থাকতে হবে।’- অনুব্রত গড়ে দিলীপের হুঙ্কার

‘যুবরাজকে আমরা মহারাজ হতে দেব না। তাকে যুবরাজই থাকতে হবে।’- অনুব্রত গড়ে দিলীপের হুঙ্কার

অনুব্রত গড়েই জনসভা থেকে শাসকদলের বিরুদ্ধে গর্জে উঠতে দেখা গেল রাজ্যের পদ্মবাহিনীর সেনাপতি দিলীপ ঘোষকে। একইসঙ্গে পিসি-ভাইপোকে আক্রমণ শানান তিনি। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠে নিজস্ব স্টাইলেই সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন তিনি।

ছাড়লেন না নেত্রীর ভাইপো তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যেপাধ্যায়কেও। বললেন,অভিষেক বাবু বরাবরই ডাক পিটিয়ে বলেন তাঁর পিসি অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আগামী প্রধানমন্ত্রী পদের যোগ্য হকদার। নেত্রীকে দিল্লির মসনদে বসানোর জন্যে আমজনতার কাছে সাহায্য চান তিনি। আসলে এর নেপথ্যে অন্য কারণ রয়েছে বলেই মনে করেন দিলীপ বাবু।

আসলে অভিষেক বাবু মমতাকে দিল্লি পাঠিয়ে নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসতে চান। আর এ নিয়েই তিনি দাবি করেন যে,”যুবরাজকে আমরা মহারাজ হতে দেব না। তাকে যুবরাজই থাকতে হবে।” কিন্তু তাঁদের সমীকরণে আঘাত হানল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভেবেছিলেন তিনি প্রধানমন্ত্রীর দাবেদারীতে সবথেকে এগিয়ে রয়েছেন এই মুহূর্তে।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

কিন্তু বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের চমকপ্রদ জয় মমতার পথে কাঁটা বিছিয়ে দিল। এটা বলার পর নেত্রীকে দিলীপ বাবু পরামর্শ,”আমি বলি দিল্লি ছেড়ে দিন। বাংলার কথা ভাবুন। কলকাতার কথা ভাবুন। আপনি দিল্লি দেখতে যাবেন, কলকাতা আমরা নিয়ে নেব। আগামী নির্বাচনেও নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হবেন। এতে পাগলেও সন্দেহ করে না। এটা বিধির বিধান।”

বিজেপির রথযাত্রায় ফের বাঁধ সেধেছে তৃণমূল। বিজেপির এই কর্মসূচীতে আবার স্থগতিদেশ জারি করেছে হাইকোর্ট। তার আগেই বীরভূমের রামপুরহাটে সভার আয়োজন করল বিজেপি। সভায় BJP-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় ও জেলা নেতৃত্বরা।

Top
error: Content is protected !!