এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > অভিষেককে -‘ভাইপো হরিদাস’,অনুব্রতকে – ‘হনুব্রত’ বলে কটাক্ষের পাশাপাশি তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপি নেতার

অভিষেককে -‘ভাইপো হরিদাস’,অনুব্রতকে – ‘হনুব্রত’ বলে কটাক্ষের পাশাপাশি তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপি নেতার

মুকুল রায়ের হাত ধরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন সৌমিত্র খাঁ। আর বিজেপিতে যোগ দেবার পর তাঁর বিরুদ্ধে হয়েছে একের পর এক মামলা। এখনো সেই সব মামলার নিস্পত্তি হয়নি। এদিকে বিজেপি তাঁকে তাঁর তৃণমূলের আসনে জেতা বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রে থেকে প্রার্থী করেছে। কিন্তু বিধি বাম। মামলার জেরে সুপ্রিম কোর্ট এর নির্দেশে বাঁকুড়ায় প্রচার করতে পারছেন না সৌমিত্র খাঁ। যদিও তাঁর ও বিজেপির তরফ থেকে দাবি যে যাই হয়ে যাক সৌমিত্রবাবু ফের বিষ্ণুপুর থেকে জিতেছেন আর ওই আসনটি বিজেপি পাচ্ছে।

এদিকে তৃণমূল বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রে সভা করে বার বার বিজেপি ও বিজেপি প্রার্থীকে গদ্দার বলার পাশাপাশি তাঁকে তীব্র আক্রমণ করতে ছাড়ছেন না। আর এদিন তৃণমূল সাংসদ তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাঁকুড়ার জনসভা থেকে সৌমিত্র খাঁকে আক্রমণ করে বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট সৌমিত্র খাঁকে দাগি আসামি বলেছে।” যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

আর এদিন সেই নিয়েই নিজের প্রতিক্রিয়া দিলেন সৌমিত্র খাঁ। এদিন সৌমিত্রবাবু অভিষেকবাবুকে ‘হরিদাস ভাইপো’ বলে রীতিমতো কটাক্ষ করে বলেন, “অভিষেক বাচ্চা ছেলে । তাঁকে নেতা বানিয়ে দিয়েছে। হরিদাস ভাইপো বাঁকুড়া জেলায় কত বড় সংগঠন করেছেন তা দেখব।”

সাথেই বিস্ফোরক দাবি করে অনুব্রত মণ্ডলকে ‘হনুব্রত বলে দাবি করেন যে, “তিনি ব্লক প্রেসিডেন্টকে ভোট চুরির ট্রেনিং দেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন আর তাই তিনি হনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে এসেছেন। ” আর এরপরেই বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকেও তীব্র আক্রমণ করে বলেন যে, ” আমি অনুব্রতকে বলতে চাই, আপনার পাঁচনের বাড়ির পরিবর্তে আপনাকে হেলোর বাড়ি পেতে হবে ।”

এদিকে অভিষেকবাবুর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এদিন দাবি করেন যে, “সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টে মামলা চলাকালীন অভিযুক্তকে আসামি বলা যায় না । আমি দাগি আসামি হলে মদন মিত্র ও সুদীপ বন্দোপাধ্যায় জেল খাটা আসামি । আমার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয়েছে ।” ফলে সব মিলিয়ে চড়ছে পারদ।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!