এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > আবাস যোজনার ঘর বিলি নিয়ে তীব্র লড়াই তৃণমূল বনাম তৃণমূলের! সামাল দিতে আসরে বিধায়ক

আবাস যোজনার ঘর বিলি নিয়ে তীব্র লড়াই তৃণমূল বনাম তৃণমূলের! সামাল দিতে আসরে বিধায়ক

বাংলা আবাস যোজনা ঘর নিয়ে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এল আবার। দুটি পৃথক ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় মালদহের ইংলিশবাজারে। এদিন দুপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য বনাম দলীয় সদস্যরা গন্ডোগোল বাধায় ইংলিশবাজারের কাজিগ্রামের আবাস যোজনার ঘরকে কেন্দ্র করে। এরপর বিচার চাইতে এদিন দুপক্ষই দলীয় বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষের বাড়িতে আসে। এবং সেখানে বিহিত চাইতে এসেও বিধায়কের বাড়িতেই বচসা শুরু করে দেয় তাঁরা। এর জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কাজিগ্রামের এক সংসদের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ায় নির্দল সদস্য নিজের মর্জি খাটিয়ে আবাস যোজনার ঘর বিলি করার চেষ্টা করছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তৃণমূল সদস্যরা বিধায়কের বাড়িতে জমায়েত হন বিহিত করার দাবী তুলে। এরপর অভিযুক্তদের ঘটনাস্থলে ডাকা হলে দু’পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। বচসা একসময় ধস্তাধস্তির পর্যায়েও পৌছে যায়। তবে শেষপর্যন্ত ঝামেলা মিটেছে বলেই দাবীতে জানান বিধায়ক তথা দলের কার্যকারী জেলা সভাপতি নীহাররঞ্জন ঘোষ।

অন্যদিকে,একজনের নামে আসা ঘর অন্যজনকে দেওয়ার বেআইনি কাজের জন্যে ইংলিশবাজারের কোতায়োলির কংগ্রেস প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ জানান স্থানীয়রা। পঞ্চায়েতের এক বিজেপি সদস্য বাংলা আবাস যোজনার ঘরের ফর্মে যার নাম বরাদ্দ করেছেন,তাঁকে না দিয়ে তাঁর আত্মীয়কে দিয়েছেন। এরকম প্রয়া ১৩ টি ক্ষেত্রে হয়েছে বলেই অভিযোগ গ্রামবাসীদের। তবে এক্ষেত্রেও বাদানুবাদের পর বিক্ষোভ মিটিয়ে ফেলা হয়েছে বলেও দাবী জানিয়েছেন প্রধান।

তবে আবাস যোজনার ঘর পাওয়াকে কেন্দ্র করে অনিয়ম বা উত্তেজনার অভিযোগকে অস্বীকার করলেন বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষ। তাঁর বক্তব্য,দশ মানুষ সম্মিলিত ভাবে একটা কাজ করতে গেলে মতের বিরোধ হবে সেটা খুবই স্বাভাবিক। একটি ‘ভুল বোঝাবুঝি’ বশত এমন হয়েছিল,যা পরে পারস্পরিক কথাবার্তার মাধ্যমে মিটিয়ে ফেলা হয়েছে,এমনটাই বক্তব্য তাঁর। আরো জানালেন, সরকারি নিয়ম অনুসারে বাংলার আবাস যোজনার প্রাপকদের তালিকা আগেই নির্ধারিত হয়ে থাকে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে সেই তালিকা ধরে প্রতিবছর ঘর বরাদ্দ করা হয়। সুতরাং এ ব্যাপারে অনিয়মের কোনো সু্যোগই নেই। অন্যদিকে,কোতায়োলির প্রধান তরুণ গোস্বামীর বক্তব্য,যাঁর নামে ঘর এসেছিল তাঁকে না দিয়ে তাঁর বাড়ির লোককে ফর্ম দেওয়া হয়েছিল। এতেই বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। তবে পরে সমস্যা মিটে গিয়েছে,বলেই জানালেন তিনি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!