এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > মোট বকেয়া ৬০ কোটি, উঠল ৬০ হাজার – বিদ্যুৎ বিল নিয়ে শোরগোল অনুব্রত গড়ে

মোট বকেয়া ৬০ কোটি, উঠল ৬০ হাজার – বিদ্যুৎ বিল নিয়ে শোরগোল অনুব্রত গড়ে

Priyo Bandhu Media

কদিন আগেই নবান্নে বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে এক বৈঠকে বিদ্যুৎ সংক্রান্ত সমস্ত অসুবিধে মিটিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েই গেছে জেলাগুলিতে। আর যেই সমস্যার সমাধান করতে রিতীমত কালঘাম ছুটছে দপ্তরের কর্মীদের। সূত্রের খবর, বিদ্যুতের বিল বকেয়া থাকার নিরিখে গোটা রাজ্যের প্রথমে রয়েছে বীরভূম। আর এই বীরভূম জেলায় সবথেকে ক্ষতি মুরারই গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে।

জানা যায়, এখানে ক্ষতির পরিমান 42 কোটি টাকা। পাশেই নলহাটিতেও ক্ষতির সংখ্যাটা কম নয়। এখানে ক্ষতির পরিমান 28 কোটি টাকা। এবার সেই ক্ষতিপূরন কমাতে এবং বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ের জন্য গত বুধবার নলহাটিতে একটি ক্যাম্প করা হলেও সেখানেও তেমন কোনো আশানুরুপ ফল মিলল না।

জানা যায়, ক্ষতির সংখ্যাটা যেখানে কোটি ছাড়িয়েছে ঠিক সেখানে এই ক্যাম্প থেকে মোটে আয় হয়েছে 60 হাজার টাকা। কিন্তু এত টাকা মেকআপ করতে এবার কি করা উচিত দপ্তরের কর্মীদের? একাংশের মতে, এর জন্য এলাকার জনপ্রতিনিধিদের সহযোগীতা প্রথম প্রয়োজন। পাশাপাশি দরকার প্রশাসনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

কিন্তু হঠাৎ এই ঘাটতি হল কেন? জানা গেছে, মূলত দুটি কারনে এই এই ক্ষতির মুখে পড়ছে বিদ্যুৎ দপ্তর। প্রথমত, বিদ্যুৎ চুরি এবং দ্বিতীয়ত মিটারে কারচুপি। এদিকে এদিনের এই ক্যাম্প প্রসঙ্গে রামপুরহাটের বিভাগীয় আধিকারিক শুভময় সরকার বলেন, “বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের জন্য দপ্তরের কর্মীরা যেভাবে মানুষের কাছে পৌছে যাচ্ছে তারপরেও তাতে সাড়া না পাওয়ায় আমরা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক।” সব মিলিয়ে এবার খোদ অনুব্রত মন্ডলের গড় বীরভূমে বিদ্যুতের বকেয়া বিল নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!