এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > বড়সড় শক্তিবৃদ্ধি মালদাতে, লোকসভার আগে খুশির হাওয়া গেরুয়া শিবিরের অন্দরে

বড়সড় শক্তিবৃদ্ধি মালদাতে, লোকসভার আগে খুশির হাওয়া গেরুয়া শিবিরের অন্দরে

খুশির হাওয়া বিজেপি শিবিরে – প্রায় পাঁচশো শ্রমিক নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন পুরাতন মালদার নেতা অতুল সরকার। এমিনতেই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে মালদার আসনগুলি নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী গেরুয়া শিবিরের নেতারা। ফলে, জেলায় সংগঠন আরও মজবুত হওয়ায় রীতিমত উজ্জীবিত গেরুয়া শিবির। প্রসঙ্গত, গতকাল সকাল থেকেই কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল যে অতুলবাবুর নেতৃত্বে পুরাতন মালদার কোর্ট স্টেশন এলাকার সিটু অফিস দখলে আসছে বিজেপির।

আর দিনের শেষে শেষপর্যন্ত সিলমোহর পড়ল সেই জল্পনাতেই – এদিন বাম এবং তৃণমূল শিবিরের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী পুরাতন মালদার কোর্ট স্টেশন চত্বরে শিবির করে বিজেপিতে যোগদান করেন। খোদ রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তিনিই বিরোধী শিবির থেকে আসা সদস্যদের হাত দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে বিজেপিতে আসার জন্যে নতুনদের স্বাগত জানান। পুরাতন মালদার সিটু অফিসটি এতদিন অতুলবাবুর নিয়ন্ত্রণেই ছিল। এমনকি তাঁর বিজেপিতে যোগাদানের সময়ও বিজেপির সভার প্রস্তুতি এই অফিস চত্বরেই হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে সিটু ব্লক সম্পাদক সাধন দাস জানান, পালাবদলের সাক্ষী সিটু – অতুল সরকারের নেতৃত্বেই বেশ কয়েকজন বিজেপিতে যোগ দিল এদিন। তবে সিটু সংগঠন বরাবরই শ্রমিকদের স্বার্থে লড়াই করেছে এবং আগামী দিনেও করবে। সংগঠনের নেতৃত্বে এই ধারাবাহিক আন্দোলন বজায় থাকবে। এলাকার প্রচুর লরিচালক এবং খালাসিরা এই সংগঠনে রয়েছেন। সিটুর মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় এমন কোনো কাজই তাঁরা করবেন না।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

সাধনবাবুর আরও বক্তব্য, চালক আর খালাসিদের কোনো ঘর নেই এখানে। সেজন্যেই এদিনের বিজেপিতে যোগদানকারী সদস্যরা সভার প্রস্তুতির জন্যে সিটুর ঘরটি ব্যবহার করেছিলেন। যাঁরা এই ঘর ব্যবহার করেছেন তাঁদের প্রত্যেকেরই দাবী এই ঘর অতীতেও যেমন সিটুর ছিল, বর্তমানেও আছে এবং আগামীতেও থাকবে। তবে সিটুর অফিস থেকেই যে এই সভার প্রস্তুতি হচ্ছিল – একথা আমার আগে জানা ছিল না। অন্যদিকে, অতুলবাবুও পার্টি অফিস দখলের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন।

তাঁর বক্তব্য, ভুয়ো অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাম নেতৃত্ব। এই পার্টি অফিস লরিচালক এবং খালাসিদেরই। কিন্তু এটা নিয়ে তাঁদের তরফ থেকে কখনো কোনো অভিযোগ আসেনি। আসলে বামেরাই তৃণমূলের সঙ্গে মিলে এই অভিযোগ তুলেছে – এই অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই। এই পার্টি অফিস সিটুর দখলে থাকবে না বিজেপির নিয়ন্ত্রণে থাকবে সে ব্যাপারে সম্পূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবেন শ্রমিকরা। সবমিলিয়ে, প্রায় পাঁচশো শ্রমিক সহ হেভিওয়েট সিটু নেতা অতুল সরকারের বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় গেরুয়া শিবিরের পাল্লা যেমন ভারী হল – তার সাথেই গায়ে লেগে গেল পার্টি অফিস দখলের ‘অভিযোগও’।

Top
error: Content is protected !!